আজ মঙ্গলবার,৯ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২৪শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

Sample Image of Spermatorrhoea

স্বপ্নদোষ (Spermatorrhoea) এর কারণ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

জননেন্দ্রিয়ের রোগ

জননেন্দ্রিয়ের রোগগুলোকেই যৌন রোগ বলা হয়। জননেন্দ্রিয়ে নানারকম রোগ হয়ে থাকে। এসব রোগ সময় মতো চিকিৎসা করে নিরাময় করতে না পারলে মানুষের জীবন পঙ্গু হয়ে পড়তে পারে। জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে।

জীবনের আনন্দ, কর্মক্ষমতা, সবই নষ্ট হয় এই সব রোগের জন্য। জননেন্দ্রিয়ের যেসব উৎকট, কষ্টদায়ক, ও প্রাণনাশকারী ব্যাধি দেখা দেয় সেগুলোর মধ্যে একশিরা, ধ্বজভঙ্গ, উপদংশ, প্রমেহ, শুক্রক্ষরণ প্রভৃতি প্রধান। আজ সানরাইজ৭১ এ স্বপ্নদোষ (Spermatorrhoea) রোগ নিয়ে আলোচনা করা হলো।

 

স্বপ্নদোষ (Spermatorrhoea)

কারণ ও লক্ষণসমুহঃ যৌবনকালে এ রোগটি অনেকের হয়ে থাকে। স্বপ্নদোষ হলে শুক্রক্ষরণ ঘটে থাকে। রোগী স্বপ্ন দেখে এবং স্বপ্নের মধ্যে অর্থাৎ ঘুমোতে ঘুমোতে শুক্রক্ষরণ ঘটে যায়। এভাবে কিছুদিন চললে রোগী দুর্বল ও ক্ষীণ হয়ে পড়ে।

তখন কোনো নারীকে স্পর্শ করলেই রেতঃপাত হয়ে যায়। রোগটি মারাত্মক। রোগীর শিরঃপীড়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। চোখের কোলে কালি পড়া, চোখ বসে যাওয়া, ধ্বজভঙ্গ, যক্ষ্মাকাশ প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়। কালবিলম্ব না করে চিকিৎসা করানো দরকার। ব্যাধিটা পুরনো হয়ে গেলে তখন সারানো সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়সাধ্য হয়ে পড়বে। রোগীর জীবন হয়ে ‍উঠবে দুর্বিষহ।

 

চিকিৎসাঃ কোষ্ঠবদ্ধতা, দুর্বলতা, খাদ্যে অরুচি, নারীকে স্পর্শ করলে অথবা নারীর কথা মনে হলেই কাম-ভাব জাগা প্রভৃতি লক্ষণে- নাক্সভমিকা ৬-৩০।

শুক্রক্ষরণ যদি অতিরিক্ত হয় ও প্রচণ্ড দুর্বলতা দেখা দেয় তখন দিতে হবে- চায়না ৬-৩০।

এক্ষেত্রে আর একটি ওষুধও দেওয়া চলে- অ্যাসিড ফস।

অতিরিক্ত শুক্রক্ষরণের জন্য আরও একটি ওষুধে ভালো ফল পাওয়া যায়- থুজা (মাদার)।

রোগী বিমর্ষ ও নিরুৎসাহ হয়ে পড়লে- অরাম মেট ৩x বিচূর্ণ-৩০।

স্বপ্নদোষ হেতু রাত্রিকালীন শুক্রক্ষরণ, ঘন-ঘন শুক্রক্ষরণ, দুর্বলতা, ইন্দ্রিয়ের শিথিলতা, পৃষ্ঠশূল, শুক্র পানির মতো পাতলা প্রভৃতি লক্ষণে- সালফার ৩০।

অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও প্রমেহ-ঘটিত কারণে এ রোগ হলে- ক্যান্থারিস ৩০।

দুর্বলতা ও স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেলে- ফসফরাস ৬।

স্বপ্ন দেখে শুক্রক্ষরণ ঘটলে- সেলিনিয়াম ৩০।

স্বপ্নদোষের মহৌষধ- ব্যারাইটা কার্ব ৬ ও বেলিস-পেরিনিস (মাদার)।

 

আনুষঙ্গিক চিকিৎসাঃ এই রোগ দেখা দিলে প্রথমে মুখেই চিকিৎসা করানো দরকার। মদ্যপান, উত্তেজক খাদ্যগ্রহণ প্রভৃতি বন্ধ করতে হবে। কুসংসর্গে মেশা, হস্তমৈথুন প্রভৃতি বর্জন করতে হবে।

প্রাতে ডুবে গোসল করতে হবে ঠাণ্ডা পানিতে। সহজপ্রাচ্য ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। সকালে-সন্ধ্যায় ভ্রমণ এ রোগের পক্ষে উপকারী।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল হোমিওপ্যাথি সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারিরীক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগীতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (রাত ৪:৩৮)
  • ২৪শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৮ই রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
  • ৯ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)