আজ সোমবার,৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২৩শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

Sample Image of Infertility Women

বন্ধ্যা স্ত্রীলোকের (Infertile Women) কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

বন্ধ্যা স্ত্রীলোকের চিকিৎসাঃ

 

বন্ধ্যাত্ব কিঃ স্ত্রীলোকের সন্তান উৎপাদন শক্তির অভাব বা অক্ষমতাকেই বন্ধ্যাত্ব বলা হয়। জরায়ু, ডিম্বকোষ বা যোনির পূর্বে কোন রকম অসুখ থাকলে সন্তান উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে, উপযুক্ত চিকিৎসা করলে সেই পীড়া বা রোগ বা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। তবে ১০০% গ্যারান্টি দেয়া সম্ভব নয়।

বন্ধ্যাত্ব হওয়ার পেছনে কিছু কারণঃ অসংযত আহার-বিহার, অলসতা ও বিলাসিতা প্রভৃতি। আবার, পুরুষের দোষে বা স্ত্রী জননেন্দ্রিয় অপরিপুষ্ট থাকার জন্যেও এমন হতে পারে।

তবে এইখানে উল্লিখিত কারণগুলো ছাড়াই যদি কোনো মহিলা বন্ধ্যাত্ব হিসেবে বিবেচিত হন তবে উপযুক্ত সময়ে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করলে বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 

চিকিৎসাঃ

১। কোনিয়ামঃ কোনিয়াম এবং বোরাক্স বন্ধ্যাত্বের উৎকৃষ্ট ওষুধ। বিশেষত, ডিম্বকোষের ক্ষীণতা হেতু বন্ধ্যাত্ব যদি হয়ে থাকে। বিশেষতঃ অল্প পরিমাণে রজঃস্রাব, স্তনদ্বয়ে বেদনা ইত্যাদি থাকলে কোনিয়াম খুবই উপকারী।

২। বোরাক্সঃ প্রচুর পরিমাণে শ্বেতপ্রদর যেমন, কোন কোন মহিলার রক্তস্রাব না হয়ে শ্বেত প্রদর স্রাব হয় তাদের বন্ধ্যাত্বের ক্ষেত্রে বোরাক্স খুবই উপকারী। সাধারন শ্বেত প্রদরের ক্ষেত্রেও কিন্তু বোরাক্স ওষুধটি খুবই কার্যকর। উপকারী শক্তিক্রম হলো- ৩, ৬, ৩০ শক্তি।

৩। হেলোনিয়াসঃ সঙ্গমে অনিহা বা সঙ্গম শক্তির লোপ পাওয়া, জরায়ুর স্থানচ্যুতি, প্রদর, জরায়ু গ্রীবায় ক্ষত বা প্রচুর রক্তস্রাব সহ যদি বন্ধ্যাত্ব থাকে। উপকারী শক্তি- Q, ৬ ও ৩০ শক্তি।

৪। আইয়োডিয়ামঃ বন্ধ্যাত্বের সাথে সাথে যদি স্তনের সংকোচন লক্ষণ থাকে তবে এই ওষুধ ব্যবহার করা যায়। উপকারী শক্তি- ৩, ৬, ৩০।

৫। সিপিয়াঃ যদি পুরুষের দোষে সন্তানাদি না হয় তাহলে তার পক্ষে কোনিয়াম বা আয়োডিয়াম সেবন করলেই উপকার হবে। অনেক ক্ষেত্রে, ফসফরাস-৩, অরাম মেট-৩০ ও নেট্রাম মিউর-৩০ দেওয়া যায়। পুরুষের সমস্যা না থাকলে সেক্ষেত্রে সিপিয়া-৩০ শক্তি ব্যবহার করা যায়।

জনোশিয়া অশোকাঃ স্ত্রীলোকের যে কোন ঋতু সম্বন্ধীয় গোলযোগ এবং স্ত্রী লোক’কে নিয়মিত এই ওষুধের Q, ৩x ও ৩০ শক্তি সেবন করালে রোগী দ্রুত সুস্থ্য হয়।

ঋতু স্রাব বন্ধ, অনিয়মিত ঋতু, শ্বেত প্রদাহ, তলপেটে ব্যথা-বেদনা সহ কাল বর্ণের রক্তস্রাব, কখনও কখনও দুর্গন্ধ থাকে, কোষ্ঠবদ্ধতা, ডিম্বকোষে বেদনা, স্রাব আরম্ভের পূর্বে কোমরে বেদনা, স্রাব আরম্ভ হলে পরে বেদনার উপশম হয় সহ প্রভৃতি লক্ষণ থাকে। আর এই সব লক্ষণে জনোশিয়া অশোকা মাদার (Q) খেলে উপকার হয়।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারিরীক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগীতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (সকাল ১০:৪৩)
  • ২৩শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৭ই রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
  • ৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)