আজ বুধবার,২৯শে বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,১২ই মে ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

Image of Maklom

বড়ই অদ্ভুত খবর – হাতে বসানো হলো কৃত্রিম যৌনাঙ্গ

অদ্ভুত খবর – হাতে বসানো হলো কৃত্রিম যৌনাঙ্গ


 

নিউইয়র্ক পোস্টের বিবৃতি অনুসারে, হাতে যৌনাঙ্গ বসানো হয়েছে ‘ম্যালকম ম্যাকডোনাল্ড’ নামের এক ব্যক্তির। এই যুবক বিশ্বে একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই কাজ করলেন। কেন করলেন সেই গল্পটাও আমরা কিছুক্ষণের মধ্যে জানতে পারবো। খবর অনসারে, হাতের মধ্যে নতুন করে যৌনাঙ্গ গঠন করে দেয়া হয়েছে। শুনলে অবাক হবেন যে, মোট চার বছর ধরে চলেছে এই প্রক্রিয়া। তবে বিশ্বের নানাবিধ খারাপ পরিস্থিতি বিশেষ করে করোনা’র কারণে এখনো এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। তবে অচিরেই তা হয়ে যাবে।

ম্যালকম ম্যাকডোনাল্ড ব্যক্তি পেশায় একজন মেকানিক। তিনি মূলত ইংল্যান্ডের বাসিন্দা। তার পেরিনিয়ামে ২০১৪ সালের দিকে একটি বিশেষ সংক্রমণ হয়। সেখানে দেখা দেয় আস্তে আস্তে সেপসিস। খুব কালো হয়ে যায় তার হাত-পায়ের আঙুল ও যৌনাঙ্গ। বিষয়টি কিন্তু খুবই অদ্ভুত। কোনো এক সময় তার যৌনাঙ্গের সংক্রমণ এমন অবস্থায় পৌছে যে, ডাক্তার’রা তা কেটে বাদ দিতে বাধ্য হয়

যখন ম্যালকমের সঙ্গে এমন ঘটনা চিরাচরিতভাবে ঘটে গেল তখন তিনি নেশা শুরু করলেন। কারও সাথে তেমন মিশতেন না। মোট কথা, মানুষের সাথে তিনি মেলামেশা বন্ধ করে দিলেন। মানুষজনও ম্যালকমকে অন্য চোখে দেখত। কিন্তু, ম্যালকম প্রকাশ করেছেন যে, দুই বছর ধরে তার পিছন পিছন ঘুরতে থাকে এক পুরুষের ছায়া।

এমতাবস্থায় লন্ডনের ‘ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতাল’ এর অধ্যাপক ‘ডেভিড রাল্ফ’ ম্যালকমকে একজন বিশেষ যৌনাঙ্গ বিশেষজ্ঞের সন্ধান দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, সন্ধান দেওয়া ঐ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে যৌনাঙ্গ বিহীন এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ‘বায়োনিক পেনিস’ তৈরী করা সম্ভব হয়েছিল। এই বিশেষজ্ঞই উনাকে জানিয়েছিলেন যে, ম্যালকমের এক বাহুতে একটি যৌনাঙ্গ তৈরী করে দেয়া যেতে পারে। এই জন্য তিনি সময় চেয়েছিলেন মোটের উপর দুই বছর। কিন্তু ম্যালকম এতেও রাজি হয়ে যান এবং সার্জারী করাতে রাজি হয়ে যান।

মি. ম্যালকমকে এই সার্জারী করার জন্য ইংল্যান্ডের ‘ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস’ মোট ৫০,০০০ পাউন্ড অর্থ সাহায্য করেছিল। কিন্তু, করোনা ভয়াবহতার কারণে সার্জারী আপাতঃ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, তারপরেও শেষমেশ সার্জারী হয়েছে ম্যালকমের। সার্জারীর পর ম্যালকম জানিয়েছেন, পূর্বের সব বড়দিনের আনন্দ এক দিনেই পেয়েছেন তিনি। নিজের বাহুতে এরকম যৌনাঙ্গ দেখে তিনি বিস্মিত হন এবং গর্বিতও হন। কারণ, পৃথিবীতে কারও যৌনাঙ্গ তো এমন নয় বিশেষ করে হাতে নয়।

সার্জারীর পরে, সেটা শরীরেরই অংশ হয়ে গিয়েছে। ম্যালকমের অনুভূতি হলো – তার এতে ‍একটুও অদ্ভুত লাগেনি। ডাক্তার’রা ম্যালকমের রক্তনালী ও স্নায়ুর অংশ নিয়ে তার হাতে যৌনাঙ্গ গঠন করে দেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য ত্বক নেয়া হয় ম্যালকমের’ই ডান হাত থেকে। সেখানে তৈরী করা হয় মূত্রনালী, হ্যান্ড পাম্পের সঙ্গে বসানো হয়েছিল দুটি টিউবও।

চার বছর আগে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখনও তা শেষ হয়নি। অর্থাৎ পুরো প্রকিয়াটি এখনও শেষ হয়নি। ম্যালকমের কখনো ডেটের সমস্যা হয়েছে আবার কখনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস করেছেন। আর বর্তমানে করোনা মহামারী তো পৃথিবীর সবকিছুই স্থবির করে দিয়েছে। করোনার কাছে ম্যালকমের এই সার্জারীর কোনো মূল্যই নেই।

তবে ম্যালকমের আশা, এই বছরের শেষের দিকেই হয়তো বাহুর ঐ যৌনাঙ্গ শরীরের নির্দিষ্ট জায়গায় বসানো সম্ভব হবে।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগিতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

One response to “বড়ই অদ্ভুত খবর – হাতে বসানো হলো কৃত্রিম যৌনাঙ্গ”

  1. I have been awarded the Doctor of Philosophy (Ph.D.) from UNIMAS with Achievements of Postgraduate Zamalah Scholarship, Malaysia and PhD Fellowship from the ICTD, Government of People’s Republic of Bangladesh. From my PhD research, I developed a formula, called “ISNAH Effect” (Impact of Sensor Networks towards Animals and Human beings). The formula as:
    “Due to the active sensor technology, every human, animal or object is affected by the fluctuated frequencies of its movement through electromagnetic transmission within the boundaries of the body located in the GPS position, and this effect is proportional to its weight and disproportionate to its GPS positions. As a result, the person, animal or object is damaged by the changing waves and for recovery systems, the object should change existing location instantly.”
    I would like to inform you that Coronavirus is nothing but misusing of sensor technology towards individual’s eyes and other organs within GPS locations. This is identified from the ISNAH Effect. It’s impact and recovery systems are illustrated in different publications, such as:
    i. Effect of Coronavirus Worldwide through Misusing of Wireless Sensor Networks (google scholar and google). URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.bioinformatics.20211101.01.html
    ii. A Dynamic Scientific Model for Recovery of Coronavirus Disease (google scholar and google). URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.fs.20211101.01.html
    iii. Impact of Sensor Technology Enhancing Corona Disease (google scholar and google).
    URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.ajbe.20201001.03.html
    iv. Processed Radio Frequency towards Pancreas Enhancing the Deadly Diabetes Worldwide
    URL: https://ojs.bilpublishing.com/index.php/jer/article/view/2826
    v. Impact of Sensor Networks towards Individuals Augmenting Causes of Diabetes
    URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.diabetes.20200902.02.html
    vi. Cyber Dazzal: Barriers to Sound Health (google scholar and google).
    URL: https://www.rokomari.com/book/202988/cyber-dazzal—sushaysther-ontoray (google).
    vii. ISNAH, URL: https://www.youtube.com/watch?v=WzC23dc1L2w
    viii. My details in ORCiD: https://orcid.org/0000-0002-6271-4100

    গবেষণার ফলাফল: (1) যেকোন ব্যক্তি, প্রাণী , বস্তু অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশ ও জলবায়ুকে নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট জিপিএস বা স্যাটেলাইট অবস্থানে ক্ষতি করা যায়, পুড়ে ফেলা যায় অথবা মেরে ফেলা যায়।
    (2) আলো ও অন্ধকারে যেকোন ব্যক্তি, প্রাণী অথবা বস্তুর অবস্থান জানা যায় খোলা চোখের মাধ্যমে, কথাবার্তায়, শব্দ করায় অথবা বর্তমান অবস্থানের মাধ্যমে।
    (3) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রাণী ও বস্তু অন্ধকার ও আলোতে যা কিছু করে বা করছে তা নির্দিষ্ট দূরত্বে সেন্সর প্রযুক্তি দিয়ে নেটওয়ার্ক ও নেটওয়ার্কবিহীন অবস্থায় অবলোকন ও রেকর্ডভূক্ত করা যায়।
    (4) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রাণীকে সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ও রোগের প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি বা প্রাণী ক্ষতিগ্রস্থ স্থান থেকে চোখ বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গে সরে গিয়ে নেটওয়ার্কবিহীন জায়গায় অবস্থান নিলে, সে প্রভাবমুক্ত থাকবে।

    কাজেই, করোনা ভাইরাস এমন একটি নাম, যা পৃথিবীর ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। ইহা প্রযুক্তিগত সেন্সর লেজার প্রোগ্রামিং ভাইরাস, যা বায়ুমন্ডলে ভৌগোলিক সীমানায় সাইবার হ্যাকাররা মানুষ ও প্রাণীর দেহে ইহার অপব্যবহার করে। ইহা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশেষ করে গলায় বা শ্বাসনালীতে অক্সিজেন/কার্বন ডাই-অক্সাইড চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে, উক্ত কোষবস্তুতে ইলেক্ট্রন চলাচলে সমস্যা হয়, আবার এটি হার্টের মহাধমনীতে রক্ত প্রবাহেও বাধা দেয়, এভাবে যেকোন ব্যক্তি/প্রাণী করোনাসহ কমপক্ষে ৩৬২টি রোগে আক্রান্ত হয়। আর এমনভাবে উক্ত ব্যক্তি/প্রাণী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে, জ্বর জ্বর অনুভব করে, সর্দি-কাশিসহ শরীরে অস্বস্তি দেখা দেয়, পরিশেষে সংশ্লিষ্ট অসুস্থ ব্যক্তির অকাল মৃত্যু হয়। ইহা সেন্সর প্রযুক্তিগত ভাইরাস এবং অসংক্রামক। এই ভাইরাস বায়োলজিক্যাল নয়, ইহা টেকনোলজিক্যাল প্রোগ্রামিং এবং সাইবার হ্যাকারদের দ্বারা মোবাইল রিমোট সেন্সিং-এর মাধ্যমে বিস্তৃত করা হয়। সাইবার হ্যাকারদের চার সদস্য বিশিষ্ট একটি ব্যবস্থাপনা দল আছে। তাদের মধ্যে আবার তিনজন অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং ১ জন আশ্রয়দাতা। এই চার জনের ছদ্মনাম হচ্ছে: (১) ট্যাঙ্গাল ফেরাউন বারী হাতেম, (২) নরসি নমরুদ জসিম, (৩) চিচাং কারুন নিজাম, এবং (৪) মহাখালী ক্যান্ডেল তাজ। তাদের প্রত্যেকের চারটি করে সহকারী উপদল আছে। প্রত্যেক উপদলে আলাদাভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা আছে এলাকাভিত্তিক বা দেশভিত্তিক। তারা নির্দিষ্ট সময় পর পর সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেলিমেটিক্স দিয়ে নির্দিষ্ট ফ্রিকুয়েন্সির জন্য মানব বা প্রাণীদেহে নতুন নামে রোগ সৃষ্টি করে, তা বিভিন্নভাবে বিস্তার করতে থাকে। কোন ব্যক্তি যখন বুঝতে পারছেন যে, তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বা হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে না গিয়ে, নেটওয়ার্কবিহীন জায়গায় যেতে হবে। উক্ত জায়গায় তিনি অবস্থান করবেন নীরব-নিস্তব্দে, সানগ্লাস পড়ে শক্ত করে চোখ বন্ধ করবেন, সঙ্গে সঙ্গে সরে যাবেন নেটওয়ার্কবিহীন জায়গায়, কোন কথা বা শব্দ ছাড়াই শুধু ইশারা ইঙ্গিতে যোগাযোগ করবেন। শরীরের অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়ার পর্যন্ত ঐসময়ে উক্ত জায়গায় কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবেনা। আবার কোন ব্যক্তি যদি ভুলক্রমে কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যায়, তবে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি, কারণ ঐসব স্থানে সাইবার হ্যাকাররা আঁড়িপেতে আসে-পাশে লুকিয়ে থেকে সেন্সর প্রযুক্তি দিয়ে ট্রাক্ট করে মানুষ ও প্রাণির মৃত্যু ঘটায়, যা আমার গবেষণা থেকে জানা যায়। আল্লাহ পাক হেফাজত করুন সবাইকে, আমীন।
    ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই করোনা রোগের চিকিৎসা
    কোন ব্যক্তি যদি রিমোট প্রত্যঞ্চল জায়গায় বসবাস করে, যেখানে নিয়মিত কোন রেজিস্টার্ড ডাক্তার নাই। তখন তাকে বিকল্প ব্যবস্থা চিন্তা করতে হবে। যেমন: করোনা রোগের কোন লক্ষণ দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে দ্রুত সরে যেতে হবে। চোখ বন্ধ করে সানগ্লাস পড়েই জায়গা পরিবর্তন করে নতুন জায়গায় অবস্থানকালীন কোন ব্যক্তির সঙ্গে যেকোন ধরণের মোবাইল ফোন বা ওয়াই-ফাই থাকবে না, এবং কোন শব্দ বা কথাও বলা যাবে না, স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ইশারা-ইঙ্গিতে সব ধরণের যোগাযোগ হবে। কমপক্ষে ২ থেকে ৬ মিনিট পর্যন্ত প্রত্যেক ক্ষেত্রে ২-৬ ফুট দূরে থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যে জায়গায় অবস্থান করবেন, সেখানে নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল ইউনিট বা জেমার মেশিন অথবা নেটওয়ার্ক আইসোলেটর অবশ্যই সেট আপ থাকতে হবে। কোন ব্যক্তি যখনই হাঁচি, কাশি,হাই, জ্বর জ্বর ও মাথা ব্যথা বা অস¦স্তি অনুভব করবেন, সঙ্গে সঙ্গে তার বর্তমান অবস্থা অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তিকে চোখে সানগ্লাস পরতে হবে, কখনো অন্ধকারে ঘুমানো বা অবস্থান করা যাবে না এবং সুস্থ না হওয়ার পর্যন্ত নিয়মিত লেবু-আদা চা খেতে হবে। তাছাড়া, একচামচ লেবুর জুস, একটা প্যারাসিটামল (৬০০ মিগ্রা.) ও এক গ্লাস ওরাল স্যালাইন একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। আবার নিয়মিত রসুন, কালিজিরা, নিম পাতার গুড়া ও মধু পরিমাণ মতো একসঙ্গে মিশিয়ে খাবেন এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য মাঝে মাঝে আপনার বিছানার অবস্থান পরিবর্তন করবেন এবং স্মার্টফোন ব্যবহারে খুবই সচেতন হবেন। এন্টিরেডিয়েশন বেড ও মশারী অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে, তবে সেগুলো ব্যয়বহুল।
    তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও করোনা রোগ নিরাময়ে সঠিক প্রতিষেধক আবিষ্কার করা খুবই কঠিন। সেন্সর প্রযুক্তির সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে অনেক মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী অবগত না। সাইবার হ্যাকাররা সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠির মধ্যে আসে-পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এবং ইচ্ছামতো ইহার অপব্যবহার করছে। পুলিশ ও অন্যান্য সিকিউরিটি ফোর্স এব্যাপারে অনেকেই ওয়াকিবহাল না। তাছাড়া তরঙ্গমালার নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই স্মার্টফোনের ব্যবহার অনেকেই ইচ্ছামতো করছে, কোন নিয়ম-নীতি মেনে চলছে না। ফলে অস্বাভাবিকভাবে করোনাসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তাই করোনা মোকাবিলায় জাতীয় সরকারসহ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ। যেমনঃ (ক) পিয়ন, অফিস সহকারী, ড্রাইভার, সেক্রেটারি ও বাসার কাজের লোকসহ সকল পরিচিত/অপরিচিতদের সঙ্গে একে অপরে দেখা করার সময় নিশ্চিত হতে হবে যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্মার্টফোন বা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস অবশ্যই বন্ধ আছে বা ৬ ফুট দূরে আছে। নিজের বা অন্যের মোবাইল ফোন সঙ্গে রেখে সাক্ষাৎ করা যাবে না, (খ) বিছানায় এবং বালিশের আসে-পাশে, বাথরুম, রান্নাঘর, ডাইনিংরুম, মিটিংরুম, পড়ার টেবিলসহ কিছু নির্ধারিত জায়গায় মোবাইল ফোন দিয়ে সব ধরণের অডিও-ভিডিও, কথা বলা এবং ব্যবহার করা যাবে না, (গ) ঘুমানোর কক্ষ অবশ্যই নেটওয়ার্কবিহীন এবং সেন্সর মুক্ত থাকতে হবে, উক্ত কক্ষে যেকোন ব্যক্তি বা প্রাণী কখনও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবেনা, করলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে, (ঘ) মানসিক প্রশান্তি থাকা ও এক জায়গায় বা বিছানায় স্থির না থেকে নিয়মিত সরে যাওয়া এবং মাঝে-মধ্যে বডি মুভমেন্ট রাখা উচিৎ, (ঙ) চিকিৎসাকেন্দ্র, ক্লিনিক, হাসপাতালে ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা, অপারেশন ও পরীক্ষার সময় ডাক্তার, নার্স, রোগী, ল্যাবটেকনিশিয়ান, সহকারী ও সাপোর্ট স্টাফ প্রভৃতি সবাই কখনও মোবাইলফোন ও সেন্সর ডিভাইস নির্দিষ্ট জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেনা, (চ) ভৌগোলিক কোন এলাকায় করোনা রোগের প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা দিলে সেই এলাকায় লোকাল ও আন্তর্জাতিক মোবাইল নেটওয়ার্ক, সেন্সর নেটওয়ার্ক ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রয়োজন অনুসারে কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন করে দিলেই করোনা প্রতিকারের সুফল পাওয়া যাবে।

    ড. মোঃ রহিমুল্যাহ মিঞা,
    বিভাগীয় প্রধান, স্বাস্থ্যে তথ্যগত প্রযুক্তি বিভাগ,
    নর্থইষ্ট মেডিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড,
    দক্ষিণ সুরমা, সিলেট, বাংলাদেশ।
    টেলিফোনঃ 880-821-729241-3, এক্স: 110.
    মোবাইলফোন: 01720477740.
    ই-মেইল: rahinemc@yahoo.com
    ORCiD: https://orcid.org/0000-0002-6271-4100

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

Subscribe: Dinajpur School

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (রাত ৯:০২)
  • ১২ই মে ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৯শে রমজান ১৪৪২ হিজরি
  • ২৯শে বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল)