আজ সোমবার,৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২৩শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

Image of Maklom

বড়ই অদ্ভুত খবর – হাতে বসানো হলো কৃত্রিম যৌনাঙ্গ

অদ্ভুত খবর – হাতে বসানো হলো কৃত্রিম যৌনাঙ্গ


 

নিউইয়র্ক পোস্টের বিবৃতি অনুসারে, হাতে যৌনাঙ্গ বসানো হয়েছে ‘ম্যালকম ম্যাকডোনাল্ড’ নামের এক ব্যক্তির। এই যুবক বিশ্বে একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই কাজ করলেন। কেন করলেন সেই গল্পটাও আমরা কিছুক্ষণের মধ্যে জানতে পারবো। খবর অনসারে, হাতের মধ্যে নতুন করে যৌনাঙ্গ গঠন করে দেয়া হয়েছে। শুনলে অবাক হবেন যে, মোট চার বছর ধরে চলেছে এই প্রক্রিয়া। তবে বিশ্বের নানাবিধ খারাপ পরিস্থিতি বিশেষ করে করোনা’র কারণে এখনো এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। তবে অচিরেই তা হয়ে যাবে।

ম্যালকম ম্যাকডোনাল্ড ব্যক্তি পেশায় একজন মেকানিক। তিনি মূলত ইংল্যান্ডের বাসিন্দা। তার পেরিনিয়ামে ২০১৪ সালের দিকে একটি বিশেষ সংক্রমণ হয়। সেখানে দেখা দেয় আস্তে আস্তে সেপসিস। খুব কালো হয়ে যায় তার হাত-পায়ের আঙুল ও যৌনাঙ্গ। বিষয়টি কিন্তু খুবই অদ্ভুত। কোনো এক সময় তার যৌনাঙ্গের সংক্রমণ এমন অবস্থায় পৌছে যে, ডাক্তার’রা তা কেটে বাদ দিতে বাধ্য হয়

যখন ম্যালকমের সঙ্গে এমন ঘটনা চিরাচরিতভাবে ঘটে গেল তখন তিনি নেশা শুরু করলেন। কারও সাথে তেমন মিশতেন না। মোট কথা, মানুষের সাথে তিনি মেলামেশা বন্ধ করে দিলেন। মানুষজনও ম্যালকমকে অন্য চোখে দেখত। কিন্তু, ম্যালকম প্রকাশ করেছেন যে, দুই বছর ধরে তার পিছন পিছন ঘুরতে থাকে এক পুরুষের ছায়া।

এমতাবস্থায় লন্ডনের ‘ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতাল’ এর অধ্যাপক ‘ডেভিড রাল্ফ’ ম্যালকমকে একজন বিশেষ যৌনাঙ্গ বিশেষজ্ঞের সন্ধান দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, সন্ধান দেওয়া ঐ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে যৌনাঙ্গ বিহীন এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ‘বায়োনিক পেনিস’ তৈরী করা সম্ভব হয়েছিল। এই বিশেষজ্ঞই উনাকে জানিয়েছিলেন যে, ম্যালকমের এক বাহুতে একটি যৌনাঙ্গ তৈরী করে দেয়া যেতে পারে। এই জন্য তিনি সময় চেয়েছিলেন মোটের উপর দুই বছর। কিন্তু ম্যালকম এতেও রাজি হয়ে যান এবং সার্জারী করাতে রাজি হয়ে যান।

মি. ম্যালকমকে এই সার্জারী করার জন্য ইংল্যান্ডের ‘ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস’ মোট ৫০,০০০ পাউন্ড অর্থ সাহায্য করেছিল। কিন্তু, করোনা ভয়াবহতার কারণে সার্জারী আপাতঃ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, তারপরেও শেষমেশ সার্জারী হয়েছে ম্যালকমের। সার্জারীর পর ম্যালকম জানিয়েছেন, পূর্বের সব বড়দিনের আনন্দ এক দিনেই পেয়েছেন তিনি। নিজের বাহুতে এরকম যৌনাঙ্গ দেখে তিনি বিস্মিত হন এবং গর্বিতও হন। কারণ, পৃথিবীতে কারও যৌনাঙ্গ তো এমন নয় বিশেষ করে হাতে নয়।

সার্জারীর পরে, সেটা শরীরেরই অংশ হয়ে গিয়েছে। ম্যালকমের অনুভূতি হলো – তার এতে ‍একটুও অদ্ভুত লাগেনি। ডাক্তার’রা ম্যালকমের রক্তনালী ও স্নায়ুর অংশ নিয়ে তার হাতে যৌনাঙ্গ গঠন করে দেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য ত্বক নেয়া হয় ম্যালকমের’ই ডান হাত থেকে। সেখানে তৈরী করা হয় মূত্রনালী, হ্যান্ড পাম্পের সঙ্গে বসানো হয়েছিল দুটি টিউবও।

চার বছর আগে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখনও তা শেষ হয়নি। অর্থাৎ পুরো প্রকিয়াটি এখনও শেষ হয়নি। ম্যালকমের কখনো ডেটের সমস্যা হয়েছে আবার কখনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস করেছেন। আর বর্তমানে করোনা মহামারী তো পৃথিবীর সবকিছুই স্থবির করে দিয়েছে। করোনার কাছে ম্যালকমের এই সার্জারীর কোনো মূল্যই নেই।

তবে ম্যালকমের আশা, এই বছরের শেষের দিকেই হয়তো বাহুর ঐ যৌনাঙ্গ শরীরের নির্দিষ্ট জায়গায় বসানো সম্ভব হবে।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগিতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (বিকাল ৫:০৯)
  • ২৩শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৭ই রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
  • ৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)