আজ বুধবার,১১ই কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২৭শে অক্টোবর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

Sample Image of Interview Tips

Introduce Yourself – নিজেকে কিভাবে প্রস্তুত করবেন

Introduce Yourself


সানরাইজ৭১ এ সবাইকে স্বাগতম। আশা করি, সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো কিভাবে আপনি Introduce Yourself – এ সফলভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন। আশা করি, বিষয়টি ইন্টারভিউ প্রার্থী ছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের অনেক কাজে লাগবে। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

 

Introduce yourself এবং ব্যাংকিং-টাকে কেন আপনি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তা ইংরেজিতে বলুন।




ব্যাংকে এর ভাইভাতে এই দুইটা প্রশ্ন যে করবে তা এমনিতেই বলা যায়।

১। introduce yourself.
.
২। ব্যাংকিংটাকে কেন আপনি ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান তা ইংরেজিতে বলুন।

এখানে শুন্যস্থান সহ একটি ফরম দেয়া হলো। এই ফরমটি সঠিকভাবে মনোযোগের সাথে পড়বেন। আশা করি, নিজেকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে (Introduce Yourself) এই ফরমটি অনেকটা কাজে দেবে।

About Myself:
It’s my pleasure to introduce myself in front of You Sir/Madam. I’m…. . I grew up in নিজ জেলার নাম বলবেন district. I have completed my SSC from স্কুলের নাম বলবেন…. school in the year of….যে সালে পাশ করেছেন & HSC from কলেজের নাম… college, in the year of. পাশের সন… I have done my successfully graduation ডিপার্টমেন্ট এর নাম BBA (Hons.) from …ভার্সিটির নাম….. & post graduation MBA in Accounting from. ভার্সিটির নাম…… My strength is I’m a fast learner & hard worker. I’m self-confident, positive attitude & patient.
My weakness is I’m sensitive, emotional & I easily trust people. I couldn’t deny anyone asking for help. Now I’m a lecturer at…. college. (যদি আপনি বর্তমানে অন্য কোথাও কর্মরত থাকেন তবে এই লাইনটি উল্লেখ করবেন, অন্যথায় নয়.উদাহরণ স্বরুপ কলেজের লেকচারের বলেছি)।
My short goal is to get placed in a reputed Bank & my long-term goal is being a successful person like you throughout my carrier. [আপনি আপনার ইচ্ছানুযায়ী আরও কিছু অ্যাড করতে পারেন।]




As a career, Banking:
Banks are considered the backbone of a country’s economy. Banking today is a perfect carrier for
enthusiasts. It’s a nice & smart profession. Opting for a carrier in banking is a very wise choice in today’s job market. The banking sector is a consistent & reliable source of well-paid jobs. The great thing about working in the banking sector is that I will develop a great set of transferable skills from customer relations to financial analysis & from the ability to strategize well to amazing time management. That’s why I like it very much.

অন্যভাবে ও বলা যায় নিচের মতঃ
For a better future good career is a must. I think banking is the appropriate sector for good career
development. There is a strong alternative to a bank job. If we dig inside this scenario we will find that
a banking career is giving us a smart amount of money, dignity, smooth career growth, job security, pension benefits, provident fund, gratuity, incentives & lots of other benefits. We can increase our knowledge in export-import, trade, investment & remittance by choosing banking as a career. This career teaches us proper utilization of money. For this reason, I have chosen this profession as my career.




চাকরির ইন্টারভিউতে পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ প্রশ্ন হওয়া উচিৎ ছিল এটি। কিন্তু এই প্রশ্নটিই সবাইকে বিপদে ফেলে দেয়। প্রশ্নটি কী? প্রশ্নটি হলো, আপনার নিজের সম্পর্কে বলুন।

এই প্রশ্নটিকে সবাই এত কঠিন মনে করেন কেন সে ব্যাপারে সম্ভবত অনেক সাইকোলজিক্যাল ব্যাখ্যা রয়েছে। আসুন দেখি কীভাবে এই প্রশ্ন মোকাবিলা করতে হবে এবং কীভাবে এর উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নকারী আসলে কী জানতে চাইছে তা আগে বুঝুন।
আপনি গাড়ি চালাতে না বাইক চালাতে পছন্দ করেন অথবা আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর নাম কী এগুলি প্রশ্নকারী কখনোই জানতে চান না। আপনি কোন স্কুলে পড়েছেন বা কোথায় কাজ করতেন এগুলিও তিনি জানতে চান না—এই প্রশ্নের উত্তর আপনার বায়োডাটা থেকেই তিনি পাবেন।

তিনি জানতে চান আপনি নিজেকে কীভাবে দেখেন। আপনি বেশি সাহসী? অনিরাপত্তায় ভোগেন? নাকি আপনি সবকিছুর ব্যাপারেই আত্মবিশ্বাসী। শুধু মনে রাখবেন প্রশ্নকারী যা জানতে চান তা হলো, আপনার নিজের সামর্থ্যের ব্যাপারে আপনার বাস্তবিক দৃষ্টিভঙ্গি আছে কিনা এবং সেটাকে আপনি অহঙ্কার না বানিয়ে আত্মবিশ্বাসে পরিণত করতে পারেন কিনা।

প্রশ্নটির উত্তরকে ৩ ভাগে ভাগ করুনঃ
আপনি এখন কে, কীভাবে আপনি এখনকার আপনি হয়েছেন এবং ভবিষ্যতে কী হতে চান—প্রশ্নটির উত্তরকে এই ৩ ভাগে ভাগ করুন।
১) আপনি এখন কে?
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আপনি এখন কে। কারণ এই আপনি-কেই চাকরিদাতাদের নিয়োগের জন্য বিবেচনা করতে হবে। প্রথমে নিজের সাথে এই চাকরির সম্পর্ক স্থাপন দিয়ে শুরু করুন।

যেমন—আমি একজন আর্কিটেক্ট, আমি একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার অথবা আমি একজন মার্কেটিং ম্যানেজার এই ধরনের পরিচয় আপনার নিয়োগদাতাদের আপনাকে বেছে নেয়ার জন্য সাইকোলজিক্যালি কাজ করবে।




পরবর্তীতে যদি সম্ভব হয় তাহলে নিজেকে সেই চাকরির নিয়োগ বর্ণনায় যেসব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন বিবেকবান, বিবেচনাশীল, ক্রিয়েটিভ ইত্যাদি আকর্ষণীয় শব্দ দিয়ে উপস্থাপন করুন। আর তা যদি সম্ভব না হয় তাহলে চেষ্টা করুন এই চাকরিতে ভবিষ্যতে সফল প্রমাণ করতে পারবেন এমন বিশেষণ ব্যবহার করতে।

২) এখনকার আপনি কীভাবে এই ‘আপনি’ হয়েছেন?
ইন্টারভিউতে আপনার রিজুমেতে উল্লেখ করা কথাগুলিই হুবহু বলে যাবেন না। আপনার পড়াশোনা বা আগের চাকরি কীভাবে আপনাকে গঠন করেছে সে সম্পর্কে বলুন।

আপনি কী কী করেছেন তা বলবেন না, বরং আপনি বিভিন্ন কাজ বা ঘটনা থেকে কী অভিজ্ঞতা গ্রহণ করেছেন তা বলুন।

৩) আপনি ভবিষ্যতে কী হতে চান?
ভবিষ্যতের কথা বলতে, আপনি আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য সম্পর্কে কথা বলুন। যেমন, ৫ বছর পরে নিজেকে কোথায় দেখতে চান, এই প্রশ্ন করা হলে উত্তরের ব্যাপারে খেয়াল রাখবেন।

আমি ৩ বছর পরে আই টি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চাই এই ধরনের উত্তর দিবেন না। এ ধরনের উত্তর আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন না ঘটিয়ে অহঙ্কারের প্রতিফলন ঘটায়। আপনার লক্ষ্য নিয়ে কথা বলুন, কিন্তু এমনভাবে বলবেন না যেন আপনার কথায় মনে হয় লক্ষ্য অর্জন খুবই সহজ কাজ।

গুছিয়ে শেষ করুনঃ
শেষে নিজেই একটি প্রশ্ন করুন—এছাড়া আমার সম্পর্কে অন্য কিছু কি জানতে চান? এই প্রশ্ন করার মাধ্যমে আপনি প্রশ্নদাতাকে আরো কিছু অতিরিক্ত প্রশ্ন করার সুযোগ দিবেন, এবং আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বাদ পরে গেলে যেন সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারেন সে ব্যাপারে প্রশ্নকারীকে কিছু ইঙ্গিত দিতে বলবেন।

“নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন”—এই প্রশ্নকে বেশি কঠিন প্রশ্ন হিসেবে দেখা উচিৎ না। আপনার নিজের ব্যাপারে অন্য কেউ নিশ্চয়ই আপনার চেয়ে ভালো জানে না।

তবে সবাই যেহেতু নিজের সম্পর্কে বলতে পছন্দ করে তাই সাধারণত বেশিরভাগ লোকজনই কী করতে পছন্দ করে, কীভাবে বিনোদন করে, কোথায় কাজ করে, তার বন্ধুবান্ধব কে ইত্যাদি বিষয়ে বলতে থাকে। ফলে এই প্রশ্নটি আসলে অস্বস্তি তৈরি করে থাকে।

এখন থেকে আগেই এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ভাবুন, নিজেকে প্রস্তুত করুন এবং এই প্রশ্নের ব্যাপারে দুশ্চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিন।

 



ইন্টারভিউ বোর্ডের সাধারণ প্রশ্ন এবং উত্তরঃ

১। আপনার সম্বন্ধে আমাদের কিছু বলুনঃ
এই প্রশ্নটি ইন্টারভিউ বোর্ডের মধ্যে প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়। আপনি মনে মনে আপনার সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি করতে প্রস্তুত থাকুন। সতর্ক থাকুন যা্তে এটি নাটকীয় না লাগে।আপনার বর্তমান এবং নিকট আতিতের কাজের উপর বেশি গুরত্ত দিন।

প্রশ্নকর্তা আপনার বর্তমান অবস্থার কথা জানতেই বেশি আগ্রহী।আপনার শিক্ষা জীবন (যদি না আপনি মাত্র পড়াশুনা শেষ করলেন), পরিবার …… এসব কথা অল্প বলতে পারেন, তবে খেয়াল রাখবেন, টা যেন বিরক্তি তৈরি না করে।

 ২। কেন আপনি আপনার সর্বশেষ চাকরী ছেড়ে দিয়েছেন?
পূর্বের চাকরী্র সম্পর্কে ইতিবাচক থাকুন।আগের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যদি সমস্যা থাকে, তা কখনই প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করবেন না।

পূর্বের সংস্থার সুপারভাইজার অথবা সহকর্মীদের নিয়ে সমস্যার কথা বলবেন না।এটি করলে খারাপ দেখায়। হাস্যজ্জল কথায় ইতিবাচক কারণে আগের চাকুরি ছাড়ার বিষয়ে আলাপ করুন, বিশেষ বা দূরদর্শী অন্য কিছু একটা করার সুযোগকে কারণ হিসেবে দেখান।

৩।নতুন চাকুরির কাজের ক্ষেত্রে আপনার কি ধরণের অভিজ্ঞতা আছে?
সুনির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলুন যে বিষয়ে আপনি চাকুরির আবেদন করছেন। আপনার নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা না থাকলে আপনি যা করতে পারেন বা ভবিষ্যতে আপনার কি পরিকল্পনা, সেটা বর্ননা করুন।

 ৪।আপনি কি নিজে্কে এক জন সফল মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেন?




আপনাকে সবসময় হ্যাঁ উত্তর এবং সংক্ষিপ্তভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। একটি ভাল ব্যাখ্যা আপনার লক্ষ্যবস্তুকে নির্দেশ করবে এবং আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দিবে।

 ৫। আপনার সহকর্মীরা আপনার সম্পর্কে কি বলে?
সহকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া আপনার সম্পর্কে একটি বা দুই উদ্ধৃতি প্রকাশ করুন। একটি নির্দিষ্ট বিবৃতি বা একটি নির্দিষ্ট শব্দে ভাব প্রকাশ করা এখানে ভাল কাজ করবে। যেমন, পরিশ্রমী, কর্মঠ, কঠিন বিষয়ে আগ্রহী বা পরোপকারী ইত্যাদি।

৬। আপনি এই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে কি জানেন?
সাক্ষাতকারের আগেই উক্ত প্রতিষ্ঠানের উপর কিছু গবেষণা করতে হবে। খুঁজে বার করুন তারা কি অবস্থানে আছে এবং কোন অবস্থানে যেতে চাইছে। তাদের মূল ক্রেতা কারা, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কারা ইত্যাদি।

৭।আপনি গত বছরে আপনার নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কি কাজ করেছেন?
আপনার উন্নতি বিষয়ক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন। বিভিন্ন আত্মোন্নতি ভিত্তিক কার্যক্রমের কথা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। যেমন, প্রশিক্ষণ, বই পড়ে, ভিডিও দেখে, নতুন নতুন মানুষের সাথে মিশে ইত্যাদি। এন্ড্রয়েড অ্যাপ – জব সার্কুলার সহ আরও অনেক।

৮।আপনি কি অন্য কোন কাজের জন্য অন্য কোথাও আবেদন করেছেন?
সত্যিকার অর্থে এই সম্পর্কে অনেক সময় ব্যয় না করাই ভাল। ফোকাস রাখুন কাজ এবং আপনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য কি করতে পারেন তার উপর।

৯।কেন আপনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করতে চান?
এইখানে চিন্তার জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে, আপনার প্রতিষ্ঠানের গবেষণার উপর ভিত্তি করে উত্তর করা উচিত। এখানে আন্তরিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আপনার কর্মজীবনের অনুভূতি এবং দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যবস্তু সহজে সম্পৃক্ত করতে হবে।

এছাড়াও আপনি ঐ প্রতিষ্ঠানের কি কি উন্নতি করতে পারবেন তাও উল্লেখ করতে পারেন।




১০।যারা আমাদের সাথে কাজ করে আপনি কি তাদের সম্পর্কে কিছু জানেন?
প্রতিষ্ঠানটির নিতিমালা সম্পরকে জানুন। তারা কি একই পরিবাবের অন্য কাউকে চাকুরি দেয় কিনা, বা আত্মীয়দের একই প্রতিস্থানে কাজ করা অনুমোদন করে কিনা, তার বিষয়ে তথ্য নিন। সব জেনে বুঝে উত্তর দিন।

১১। আপনার কি ধরনের বেতন চান?
কটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একটি ছোট ভুল উত্তর আপনার সবকিছু নষ্ট করে দিবে। সুতরাং, এটা উত্তর না করাই ভাল। পরিবর্তে, বলা যায় যে এটি একটি কঠিন প্রশ্ন. আপনি কি আমাকে এই কাজের বা অবস্থানের জন্য বেতন পরিসীমা বলতে পারেন?

অধিকাংশ ক্ষেত্রে, চাকরীদাতা নিশ্চুপ ভুমিকা পালন করে। অথবা বলতে পারেন এটা কাজের বিবরণ উপর নির্ভর করতে পারেন। অথবা বলতে পারেন, আমি আশা করব এটা আপনারা আমার যোগ্যতা এবং এই পদে কাজের পরিধি ও মার্কেটের চাহিদা বিবেচনা করে নির্ধারণ করবেন।

১২।আপনি কি টিম এ কাজ করতে সাছন্দ বোধ করেন?
অবশ্যই, কোন সন্ধেহ নেই যে আপনি টিম এ কাজ করতে চান। এটাই একমাত্র উত্তর হতে হবে। শুধু তাই না, আপনি এ প্রসঙ্গে কিছি উদাহরণ দিতে ভুলবেন না।

আরও বলতে পারেন যে আপনি নিজের চেয়ে আপনার দলের মনোভাবকে ভালো গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তবে খুব বেশি বলতে যাবেন না যা সন্দেহ তৈরি করতে পারে। খেয়াল রাখবেম তারা যেন বুঝে এটা আপনার কাছে অত্যন্ত আবশ্যক বিষয়। মনে রাখবেন এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

১৩। কতক্ষণ আপনি আমাদের সাথে কাজ করার আশা করছেন?
এখানে সুনির্দিষ্ট করে কিছু না বলা ভাল। যেটা বলা যেতে পারেঃ আমি দীর্ঘ সময় দিতেই পছন্দ করি তবে আমি মনে করি তা নির্ভর করবে আমরা উভয় যতদিন মনেকরি আমি ভাল কাজ করছি ততদিন।

১৪। আপনি কি কখনও কাউকে চাকরীচুত্ত করেছেন? এ বিষয়ে আপনার কি মনে হয়েছিল?
এটি গুরুতপূর্ন প্রশ্ন। হাল্কা কোন উত্তর দিবেন না, যাতে মনে হয় কাউকে চাকরীচ্যুত করতে আপনার ভালো লাগে। একই সময়ে আপনাকে বঝাতে হবে, আপনাকে এটি করতে হবে তখন যখন এটা করা সঠীক মনে হবে।

যারা প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে একটি ক্ষতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে তার জন্য আপনাকে প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে হবে। মনে রাখবেন চাকরীচুত্ত করা আর ছাটাই বা ব্যবসায় সংকোচন করার জন্য কর্মী কমানো এক ব্যপার না।




১৫।কাজের প্রতি আপনার দর্শন কি?
মনে রাখবেন সাক্ষাত্কার দীর্ঘ গবেষণামূলক আলোচনা হয়। আপনি কাজটি পেয়ে জোরালো মনোভাব পেয়েছেন? হ্যা। এই টাইপ এর উত্তর এখানে সবচেয়ে ভাল কাজ করে । সল্প ও ইতিবাচক উত্তর কিন্ত তাতে প্রতিষ্ঠানের লাভ তুলে ধরতে হবে।

১৬।যদি আপনার কাছে এখন অনেক টাকা থাকে তবে আপনি কি এখন অবসর নেবেন?
না। কারন আপনি কাজ ভালবাসেন এবং আপনার কাজের মাধ্যমে আপনি প্রতিস্থানে আবদান রাখতে চান যা প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক হবে।

১৭।আপনাকে কি কখনও চাকুরি ছেড়ে দিতে বলা হয়েছিলো?
সত্যি বলুন। না হলে না বলুন আর হাঁ হলে হাঁ বলুন। সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যখা করুন কি হয়েছিলো কিন্তু খেয়াল রাখবেন এই ব্যখাতে যেন পূর্বের প্রতিষ্ঠান সম্পরকে কোন নেতিবাচক মনোভাব না থাকে।

১৮।ব্যাখ্যা করুন কিভাবে আপনি এই প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অ্যাসেট হবেন?
কঠিন প্রশ্ন। এটা এই পদের জন্য আপনার ভাল পয়েন্ট তুলে ধরতে একটি সুযোগ দেয়। এই সম্পর্কে একটু আগাম চিন্তা রাখুন।

১৯। কেন আমরা আপনাকে নিয়োগ করবো?
ব্যখা করুন কিভাবে আপনার যোগ্যতাগুলো প্রতিষ্ঠানের জন্য লাভজনক হবে। আরও ব্যখা করুন কিভাবে আপনি এই পদে আপনার সর্বচ্চ মেধা দেখাতে পারবেন। তবে কখনও অন্য চাকুরিপ্রার্থীর সাথে নিজেকে তুলনা করবেন না।

২০। ইন্টারভিউ এ কখনো কোনো কিছু ন্যাগেটিভ ভাবতে যাবেন নাঃ




আসলে প্রতিটি ইন্টারভিউ-ই আন্তরিকতার সাথে হয়। কিছুটা আলাদা স্বভাবের মানুষ সেখানে থাকতে পারে। কিন্তু তারা আপনার জ্ঞানের পরীক্ষা নেয়ার সাথে সাথে আরও অনেক কিছুর পরীক্ষা নেয়। যেমন ধরুন – আপনার সাহস কেমন আছে, আপনার ধৈর্য্য কেমন আছে ইত্যাদি। আর এই জন্য কৌতুহলী ও বদমেজাজি প্রশ্নও আপনাকে করা হতে পারে। সর্বোপরি আপনি সব কিছুকে পজিটিভলী নিয়ে আপনার মতো করে উত্তর করে যাবেন।

আজকের আলোচনা এখানেই শেষ করা হলো। আশা করি, আলোচনাটি কাজে লাগবে। আবারও আসবো নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই সুস্থ্য, ‍সুন্দর ও ভালো থাকুন। নিজের প্রতি যত্নবান হউন এবং সাবধানে থাকুন। করোনাকে ভয় নয় – কেবল সচেতন থাকুন।
Introduce Yourself – সম্পর্কে আরও জানুনঃ
এরকম টপিক সম্পর্কে আরও পড়ুনঃ
এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং প্রয়োজনীয় মনে হয় তবে অনুগ্রহ করে অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।

অ্যাডমিন বার্তাঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ জাহাঙ্গীর বিন সফিকুল। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

ইমেইলে পোস্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন:

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৭:১৮)
  • ২৭শে অক্টোবর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২০শে রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
  • ১১ই কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
জাতীয় হেল্প লাইন