আজ বুধবার,১০ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২৫শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

Sample Image of Son

পুত্র সন্তান চান? স্তন পিরামিডের মতো রাখতে চান? পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন

সুসন্তান লাভ


সানরাইজ৭১ এ সবাইকে স্বাগতম। আশা করছি, সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো কিভাবে আপনি সুসন্তান লাভ করতে পারবেন তা নিয়ে। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

 

চিকিৎসা করবার পূর্বে শরীর কি প্রকার থাকে এবং শরীরকে সম্পূর্ণরূপে তৈরী করে সুসন্তান লাভ করতে হলে কি কি উপায় অবলম্বন করা দরকার সে বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান থাকা দরকার।

ঋতুর প্রথম দিন থেকে ষোল দিন পর্যন্ত স্ত্রীর গর্ভধারণযোগ্য শক্তি থাকে। সুসন্তানকামী ও সুস্থ্য শররিভিলাষী ব্যক্তির ঋতুর প্রথম চার দিন এবং এগার ও তের তম দিন সহবাস করবেন না।




এই ছয় দিন বাদ দিয়ে বাকি দশ দিনের মধ্যে যত বেশি দিন পরে গর্ভধারণ করবেন সন্তান তত বেশি সুস্থ্য ও বলবান হয় এবং তার পরমায়ু তত বেশি বৃদ্ধি পায়। উপরোক্ত দশ দিনের মধ্যে রবিবার, অমাবস্যা, পূর্ণিমা, চতুর্দশী, অষ্টমী ও সংক্রান্তির দিন সহবাস করবেন না।

কারণ, এই দিনগুলো পুরুষ ও স্ত্রী শুক্র ও শোনিত দূষিত থাকে। রাত্রির প্রথম প্রহরে গর্ভধারণ হলে সেই গর্ভস্থ সন্তান অল্পায়ু ও রুগ্ন হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রহরে গর্ভধারণ এর জন্য খুব একটা ভালো সময় নয়। চতুর্থ প্রহরে গর্ভধারণ হলে সন্তান দীর্ঘায়ু ও নিরোগ হয়।

ঋতুর চতুর্থ, ষষ্ঠ, অষ্টম, দশম ও দ্বাদশ রাত্রে সহবাস করলে পুত্র সন্তান জন্ম হয়। ঋতুর পঞ্চম, সপ্তম, নবম এবং একাদশ রাত্রে সহবাস করলে কণ্যাসন্তান জন্ম হয়। সমরাত্রে পুরুষের বীর্য স্ত্রীর রজঃ অপেক্ষা বেশী থাকে, সেই কারণে পুত্রসন্তান জন্ম হয়।

সেই রকম বিজোড় রাত্রে স্ত্রীর রজঃ পুরুষের বীর্য অপেক্ষা বেশি থাকে আর সেই কারণে কণ্যাসন্তান জন্ম হয়। সোমবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার রাত্রে সহবাস করা ‍খুব ভালো।

মঙ্গলবার রাত্রে সহবাসে গর্ভ হলে মৃতসন্তান জন্ম হয়। সকাল, সন্ধ্যা ও দ্বিপ্রহরে সহবাস হারিকারক। শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ্য থাকবে, মনের ভিতর কোনরূপ খারাপ চিন্তা থাকবে না, খাদ্য আধহজম হবে কিন্তু পেট খালি থাকবে না।




ঠিক সেই সময় সহবাস করা উচিত। পায়খানা, প্রস্রাব এবং খিদে, পিপাসার সময় সহবাস করা উচিত নয়। গর্ভাবস্থায় ধর্ম ও সৎচিন্তা করলে সন্তান ধার্মিক ও সুখী হয়।

গর্ভবতী নারী রাগ, হিংসা, মিথ্যা কথা প্রভৃতি অন্যান্য আচরণ করলে গর্ভস্থ সন্তান সেই সমস্ত গুণ নিয়ে জন্ম নেয়। গর্ভাস্থায় দিবা-নিদ্রা, উপবাস, সহবাস, মল-মূত্রাদির কোধারণ, রাত্রি জাগরণ, শোক, দুঃখ পরিত্যাগ করা উচিত।

রজস্বলা স্ত্রী রজনিঃসারণ দিন থেকে ততোদিন পর্যন্ত গোসল করা উচিত নয়। গোসল করলে দেহ থেকে দূষিত রক্ত না গিয়ে নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়।

এই দূষিত রক্ত স্বাস্থ্যের প্রতি এত খারাপ যে, এই সময় সহবাস করলে ভয়ঙ্কর রোগ দেখা দেয়। এমনকি পুরুষ নপুংশক হয়েও  যেতে পারে।

এই সময় সহবাস করে যদি গর্ভধারণ হয় তাহলে সেই সন্তান অল্পায়ু ও বিকলাঙ্গ হয়। রজস্বালা স্ত্রীর নিরামিষ আহার করা উচিত। গর্ভস্থ সন্তানের প্রত্যেক অঙ্গ ব্যক্ত হবার আগে অর্থাৎ গর্ভের তৃতীয় মাসে একটি কাঁচা পলাশপত্র দুধের সঙ্গে বেঁটে গর্ভিনী স্ত্রী সেবন করলে বীর্যবান পুত্রসন্তান লাভ করে।

গর্ভের চতুর্থ মাসে গর্ভস্থ সন্তানের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ও চৈতন্য প্রকাশ পায়। এই সময় মা যে ধরণের বিদ্যাচর্চা করবে – সেই সন্তানও সেই ধরণের গুণ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করবে।

চতুর্থ মাস থেকে গর্ভিনী স্ত্রীর যা খেতে মন চাইবে বা দেখতে মন চাইবে তা পূর্ণ না হলে সন্তানের অনিষ্ট হয়। গর্ভাবস্থায় যে সমস্ত স্ত্রী প্রসব সময় পর্যন্ত শারিরীক পরিশ্রম করে প্রসব তারা প্রসবের সময় খুব একটা কষ্ট পায় না।

গর্ভিনী ও গর্ভস্থ শিশু শুষ্ক হলে পুষ্টির জন্য যষ্টি মধু ও গমারিফলের সাথে সিদ্ধ দুধ শর্করা মিশিয়ে খেতে হবে। হাসের ডিম বা মুরগির ডিম ও মুরগির মাংস খেতে হবে।




গর্ভের দশম মাসে গর্ভিনী শুষ্ঠি, যষ্টিমধু ও দেবদারু চালের চূর্ণের সাথে সিদ্ধ দুধ সেবন করলে গর্ভস্থ সন্তানের বল সঞ্চয় হয়।

 

গর্ভ হলো কিনা জানবো কিভাবে?

গর্ভ হলে স্তনের মুখ কালো দেখা যাবে। মুখের থেকে থুতু বের হবে। মুখ শুকনো দেখা যাবে, সমস্ত শরীর ভারী মনে হবে। আলস্য ভাব লাগবে। এছাড়াও, বর্তমান সময়ে অনেক ধরণের টেস্ট কাঠি পাওয়া যায়, সেগুলো দিয়েও খুব সহজেই গর্ভের অবস্থা জানা যায়।

 

নবজাত সন্তান পুত্র বা কন্যা হবে তা জানবেন কিভাবে?

গর্ভবতী স্ত্রীর হাতের তালু লাল দেখা গেলে পুত্র হবে। সাদা দেখা গেলে কণ্যা হবে। গর্ভবতী স্ত্রীর স্তনের এক বিন্দু দুধ আয়নার উপর দিয়ে রৌদ্রে দেখলে, যদি মোতি বিন্দুর মতো দেখা যায় তবে পুত্র হবে। চারদিকে জড়িয়ে গেলে কণ্যা হবে।

 

স্তন রক্ষা করবেন যেভাবে?

স্ত্রী মানে প্রথম ঋতুর প্রথম দিনের রক্ত স্তনদ্বয়ে লাগালে স্তনদ্বয় চিরদিন পিরামিডের মতো হয়ে থাকে।

 

সুখে প্রসব করবেন যেভাবেঃ

স্ত্রীর প্রসব যন্ত্রণা উঠলে ফুল বা ফোঁটা ছোট তেঁতুল গাছের কাঁচা শিকড় তুলে এনে ধুয়ে পরিষ্কার করে গর্ভিনী স্ত্রীর চুলের সঙ্গে বেঁধে গন্ধ শুকালে প্রায় আধ ঘন্টার মধ্যে সুখে প্রসব হয়। প্রসবের পর তা তাড়াতাড়ি খুলে ফেলতে হবে।




অথবা, আপামার্গ মূল বেঁটে নাভিবস্তিতে ও যোনিতে প্রলেপ দিলে সুখে প্রসব হয়।

 

জন্মরোধ করার নিয়মঃ

কৃষ্ণা চতুর্দশীর দিন কালো ধুতুরা গাছের শিকড় দিয়ে তামার মাদুলির ভিতরে ভর্তি করে স্ত্রীর কোমরে বেঁধে সহবাস করলে গর্ভ হয় না।

অথবা, সহবাস এর পরে আধতোলা রাশিতলের মধ্যে ৪ রতি সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে খেলে গর্ভ হয় না।


আজ আর নয়। ফিরে আসবো অন্য দিন নতুন কোনো স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে। সবাই সুস্থ্য, সুন্দর ও ভালো থাকুন। নিজের প্রতি যত্নবান হউন এবং সাবধানে থাকুন।

এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং প্রয়োজনীয় মনে হয় তবে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগিতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (ভোর ৫:৩২)
  • ২৫শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৯ই রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
  • ১০ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)