আজ রবিবার,৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২২শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

Sample Image of Pregnancy

গর্ভবতী মায়ের কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ ও চিকিৎসা জেনে নিন

গর্ভবতী মায়ের কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ ও চিকিৎসা


সানরাইজ৭১ এ সবাইকে স্বাগতম। আশা করছি, সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো গর্ভবতী মায়ের কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ ও চিকিৎসা নিয়ে। আশা করি, আলোচ্য বিষয়টি আপনাদের পরোক্ষভাবে হলেও কাজে লাগবে। আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

 

১। বমি বমি ভাব বমন (Vomitting tendency): এটা সাধারণত ২/৩ মাসে দেখা যায়। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।



সকাল বেলায় সামান্য শুকনা খাবার যেমন- চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট খেলে মা সুস্থ্য বোধ করেন। তবে অতিরিক্ত বমনের ফলে চোখ মুখ বসে গেলে বা অস্থির হলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।

 

বমি বন্ধের জন্যঃ Tab Stemitil 5mg or, Tab Vergon 5mg or, Tab Promat 5mg or, tab Motilon or, Inj Stemitil or, Inj Vergon or, Inj Motilon 1/m.

উপরোক্ত চিকিৎসায় ফল না হলে নিম্নোক্ত ওষুধগুলোও দেয়া যায়ঃ

Inj Easium or, Inj Fizepam or, Inj Seduxin 1/m or, Dexaqua-Beximco, Inj B50 forte or, Inj Opsovit or, Inj Beconex or, Ascorbic Acid or, Inj Ascoson or, Inj Vitamin-C or, Tab Stemitil or, Tab Motilon.

 



২। কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation): গর্ভকালীন সময়ে এটা খুবই স্বাভাবিক। প্রচুর পরিমাণে পানি ও অধিক পরিমাণে শাকসবজি খেলেও অনেক ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়।

তবে Milk of Magnesia ঘুমানোর সময় ৪ চামচ গরম জল সহ খেলে অথবা ইসবগুলের ভুসি ২ চামচ রাত্রে পানিতে ভিজিয়ে সকালে শরবৎ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে না।

 

৩। বুক জ্বালা ও ঢেকুর উঠা (Heart Burn and Acidity): এটি একটি সাধারণ উপসর্গ। অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার ও ভাজা খাবার বর্জন করলে কষ্ট দূর হয় তবে ট্যাবলেট বা সিরাপ এন্টাসিড (Tab/Syp Oxecone, Lactameal, Entacyd) খেলে উপকার পাওয়া যায়।

 

৪। হাত ও পা ফোলা (Oedama): সাধারণত গর্ভের শেষ দুই মাসে পায়ে পানির ভাব দেখা দিতে পারে। স্বাভাবিকভাবে ঘুমালে বা বিশ্রাম নিলে কমে যায়।

ঘুমানোর সময় বালিশে পা রেখে ঘুমালেও ভালো ফল পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পা ফোলা বা তার সাথে শরীরের অন্য কোন অংশে ফোলা দেখা দিলে চিকিৎসার প্রয়োজন। এই লক্ষণটি একলামশিয়া রোগের পূর্ব লক্ষণ।

 



অতিরিক্ত রক্তস্বল্পতা (হতে পারে) ও অপুষ্টি জনিত কারণে এটা দেখা যায়। চিকিৎসা হিসেবে যা করতে হবে – শক্তিশালী রক্তবর্ধক ও ভিটামিন ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়।

 

৫। সাদা স্রাব (White discharge): গর্ভকালীন সাদা স্রাব স্বাভাবিকভাবে একটু বেশী হয়। উপযুক্ত পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করলে কোন অসুবিধা হয় না। কিন্তু দুর্গন্ধ বা অতিমাত্রায় হলে চিকিৎসার প্রয়োজন আছে।

 

৬। কোমর ব্যথা এবং হাঁটুর পিছনে ফুলে যাওয়া (Pain of Swelling of knee behind joint): এটা সাধারণত গর্ভকালীন সময়ে প্রায়ই মহিলাদের থাকে। বিশেষ কোন ব্যবস্থা নেই। বিশ্রাম ও ম্যাসাজ করলে উপকার হয়। প্রসবের পর এটা স্বাভাবিকভাবে সেরে যায়।





আজ এখানেই শেষ করছি। ফিরে আসবো অন্য দিন নতুন কোনো স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে। সবাই সুস্থ্য, সুন্দর ও ভালো থাকুন। নিজের প্রতি যত্নবান হউন এবং সাবধানে থাকুন। করোনাকে ভয় নয় – সাবধানতা ও সচেতনতাই যথেষ্ট।

এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং প্রয়োজনীয় মনে হয় তবে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগিতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ