আজ বৃহস্পতিবার,১৯শে ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,৪ঠা মার্চ ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

শিশুর ভয়াবহ এই রোগটি সম্পর্কে জেনে নেয়া জরুরী

শিশুর রোগ

 

 

মৃগীরোগে(Epilepsy) আক্রান্ত হলে প্রচলিত কুসংস্কার আছে জিনের আসর লেগেছে।Actually এটি একটি ব্রেনের সমস্যা। এই রোগ ব্রেইন এর একটি অংশ বা পুরো ব্রেইন কে প্রভাবিত করতে পারে।মস্তিষ্কে সবসময়ই বৈদ্যুতিক কার্যক্রম চলে, হটাৎ তীব্র কার্যকালাপের বিস্ফোরণ ঘটলে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়ে খিচুনি হয়।যে কোন বয়সে এই রোগ হতে পারে।খিচুনির সময় রোগী সজাগ থাকতে পারে বা অজ্ঞান হতে পারে।শিশুর শরীর শক্ত হ’য়ে যেতে পারে, অস্বাভাবিক ঝাকুনি হতে পারে বা জিহবায় কামড় দিতে পারে। মা-বাবা, আত্নীয় স্বজন যারা বাচ্চার খিচুনি দেখেছেন তার তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিকভাবে এই রোগ নির্ণয় করা যায়।
পরবর্তিতে EEG,CT scan করে নিশ্চিত হওয়া যায়।
সাধারনত পরিবারে কারো এই রোগের ইতিহাস থাকলে মায়ের গর্ভকালীন কোন জটিলতা যেমন বাচ্চার ওজন কম বা জন্মকালীন মাথায় আঘাত , জন্মের পরপরই শিশুর শ্বাস নিতে দেরী অথবা দেরিতে কান্নাকাটি করলে,জন্ডিস মাত্রাতিরিক্ত হলে,ব্রেনে ইনফেকশন হলে,ব্রেনে টিউমার স্ট্রোক হলে ও জিনগত কারনে এ রোগ হয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোন কারন জানা যায় না।
বাচ্চা হটাৎ চুপচাপ হয়ে গেলে, হটাৎ মেজাজ বিগড়ে গেলে,চিৎকার, দৌড়াদৌড়ি করলে এবং কিছুক্ষন পর স্বাভাবিক হলে,চোখ বা মুখ উল্টিয়ে দিলে,শিশুর চোখের পাতা স্থির হয়ে গেলে বা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলে বা নাকমুখ দিয়ে অতিরিক্ত ফেনা বা লালা বেড় হলে বুঝতে হবে বাচ্চা মৃগী রোগ এ আক্রান্ত হতে পারে।
বাচ্চা মৃগী রোগ আক্রান্ত হলে বুদ্ধি বৃদ্ধিতে আচার-আচরণ এ,কথা বার্তায় প্রভাব পরে।
নিয়মিত ঔষধ খাওয়ালে অধিকাংশ বাচ্চা ভালো হয়ে যায়। বাজারে অত্যান্ত কার্যকরি যেমন Barbit,Iracet,Valoate,Carbamazipine,BRIVA ইত্যাদি ওষুধ পাওয়া যায়। বাচ্চা আবার স্বাভাবিক স্কুলে ফিরে যেতে পারে ও দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্মের সমস্যা হয় না । মৃগী রোগ দেখা দিলে দ্রুতই শিশু চিকিৎসক এর পরামর্শে চিকিৎসা নিতে হবে। কোন অবস্থায় অপচিকিৎসা নেবেন না।
মৃগীরোগ হলে যা করবেন না – আতংকিত হবেন না, খিচুনির সময় শিশুকে জড়িয়ে ধরবেন না,খিচুনির সময় কোন রুপ বাধার সৃষ্টি করবেন না।
রোগীর মুখে জুতা বা চামড়ার কিছু লাগানো যাবে না, গরম লোহা দিয়ে শেক বা দাগ দেবেন না।
রোগী স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মুখে পানি বা তরল কিছু দেবেন না। শিশুর শরীরে টাইট কাপড় থাকলে Loose করে দিতে হবে।খিচুনির সময় শিশুর চারিদিকে ভির করা যাবে না।জ্বরের সাথে খিচুনি হলে Fast syp/Drop/Suppository দিয়ে ও স্পজ করে জ্বর কমাতে হবে।
কিছু পরামর্শ যেমন নদী পুকুর বা সমুদ্রে গোসল না করনো বা একা যেন না যায়,আগুনের কাছাকাছি যাবে না,মেশিনের কাছে যাবে না।
শিশুর মৃগীরোগ থাকলে স্কুলের শিক্ষক জানিয়ে রাখা।
হটাৎ ঔষধ বন্ধ করা যাবে না, আড়াই থেকে তিন বছর খিচুনি বন্ধ( seizure free)থাকলে শিশু চিকিৎসক এর পরামর্শে ঔষধ বন্ধ করতে হবে।
বাসায় একা রুমে বা বাথরুমের ছিটকানি লাগবে না।
মায়ের গর্ভকালীন নিয়মিত চেক-আপ করাতে হবে, গর্ভকালীন জটিলতা দেখা দিলে Properly Treatment করনো।

সুত্রঃ ইন্টারনেট

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • বৃহস্পতিবার (রাত ১০:১২)
  • ৪ঠা মার্চ ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে রজব ১৪৪২ হিজরি
  • ১৯শে ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)