আজ সোমবার,৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২৩শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

www.sunrise71.com

বায়োক্যামিক ওষুধ সম্পর্কে এই কথাগুলো অবশ্যই জানা প্রয়োজন

বায়োক্যামিক ওষুধ সম্পর্কে আলোচনা


আমাদের দেহে যে বারটি তন্তু লবণ ওষুধ হিসেবে গ্রহণযোগ্য তার সবগুলো আবার একই জাতীয় কাজ করে না। বিভিন্ন লবণ বিভিন্ন তন্তুর উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে।

সকল লবণগুলোও আবার দেহের সর্বত্র সমভাবে অবস্থান করে না। যে লবণটি যে জাতীয় টিশ্যু প্রধান, রোগ বা পীড়ার ক্ষেত্রে সে জাতীয় টিশ্যুর অভাব দূর করতে সক্ষম।

চুন জাতীয় পদার্থ অর্থাৎ ক্যালসিয়াম হাড়ের প্রধান উপাদান। সেজন্য ক্যালক্যারিয়া হাড়ের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে থাকে।

নিম্নে বর্ণিত তালিকা হতে আমাদের সবার ধারণা পরিস্কার হবে।

১। স্নায়ুকোষ (Nerve Cells): পাঁচটি ফসফেট যথা ম্যাগনেসিয়া ফস, কেলি ফস, নেট্রাম ফস, ফেরাম ফস ও ক্যালক্যারিয়া ফস সমভাবে কাজ করে।



২। পেশী কোষ (Muscle Cells): ম্যাগনেসিয়া ফস, কেলি ফস, ফেরাম ফস, নেট্রাম ফস এবং ক্যালি মিউর।

৩। সংযোজক তন্তু (Connective Tissue): প্রধানত সাইলেশিয়া কিন্তু ক্যালক্যারিয়া ফসেরও প্রয়োজন হয়।

৪। স্থিতিস্থাপক তন্তু (Elastic Tissue): ক্যালক্যারিয়া ফ্লোরিকা।

৫। অস্থিকোষ (Bone Cells): ক্যালক্যারিয়া ফ্লোরিকা, ম্যাগনেসিয়া ফস ও প্রচুর পরিমাণে ক্যালক্যারিয়া ফস।



৬। উপাস্থি ও শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি কোষ (Cartilege and Mucous Cells): প্রধানত নেট্রাম মিউর যা দেহের শক্ত ও জলীয়াংশে বিদ্যমান।

৭। কেশ ও অক্ষিকোষ (Hair and the Crystalline Lens): অন্যান্য অজৈব লবণ সহ ফেরাম বিদ্যমান।

৮। রক্ত কণিকায় (Blood Cells): ক্যালক্যারিয়া ফস, ফেরাম ফস ও ক্যালি ফস।

৯। লালা প্রস্তুত কার্যে (Albumin): নেট্রাম মিউর।

১০। দন্তের প্রধান উপাদান (Teeth): ক্যালক্যারিয়া ফস।

১১। মস্তিষ্ক কোষ (Brain Cells): কেলি মিউর ও ক্যালি ফস।

১২। বিভিন্ন আবরণঃ চর্ম, লোম, নখ ও স্নায়ুর আবরণ সাইলিশিয়ায় দৃঢ় ও পূর্ণ হয়।



চিকিৎসা ক্ষেত্রে উল্লেখিত তালিকাটি আমাদের জন্য বিশেষ সহায়ক। পীড়িত ব্যক্তির রোগটি দেহের কোন অংশে ও কোন জাতীয় টিশ্যুর মধ্যে অবস্থিত তা সহজেই নির্ণয় করা যায়।

যে কারণে অতিসহজেই পীড়িত ব্যক্তির রোগ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। যে লবণটি আমাদের দেহে রোগ দূরীকরনার্থে সাহায্য করে মূলত সে লবণটিই প্রধান ওষুধ।

কারণ, ধাতব লবণের অভাবে স্বাভাবিক অবস্থার ব্যতিক্রম ঘটে। ফলে দেহাশ্রয়ী কোষগুলো তখন স্ব স্ব নির্দিষ্ট কাজ স্বাভাবিকভাবে করতে পারে না। এর ফলে রক্ত ও শরীরস্থ কার্য্যের বিঘ্ন ঘটে এবং রোগ লক্ষণ দেখা দেয় শরীরে।



শরীরের যে স্থানে সংযোজক তন্তুর অভাবে স্থানটি শুকাতে আরম্ভ করে তথায় সংযোজক তন্তু কোষের প্রধান উপাদান সাইলিশিয়া, ক্যালক্যারিয়া কার্ব, ক্যালক্যারিয়া ফস ও ক্যালক্যারিয়া ফ্লোরিকা।

উক্ত শুকানো দূর করতে এই চারটি ওষুধই প্রয়োজন। বায়োক্যামিক চিকিৎসার মূল কথাই হলো শরীরের প্রয়োজনীয় অভাব পূরণ করা।


আজ আর নয়। ফিরে আসবো অন্য দিন নতুন কোনো স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে। সবাই সুস্থ্য, সুন্দর ও ভালো থাকুন। নিজের প্রতি যত্নবান হউন এবং সাবধানে থাকুন।

এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং প্রয়োজনীয় মনে হয় তবে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগিতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (রাত ৪:২৫)
  • ২৩শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৭ই রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
  • ৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)