আজ বুধবার,১১ই কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২৭শে অক্টোবর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

হিজামা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং ব্যাখ্যা জানুন

হিজামা নিয়ে বিস্তারিত

 

 

1. হিজামা কি?

এককথায় , হিজামা হলো রাসুল সাঃ এর বর্ণিত এমন একটা চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে শরীরের সিলেক্টেড কিছু পয়েন্ট/এলাকা থেকে কিছু ম্যাকানিক্যাল ডিভাইসের মাধ্যমে সামান্য কিছু টক্সিন যুক্ত রক্ত / রক্ত রস/সিরাম বের করে নিয়ে রোগ মুক্তির চেষ্টা করা হয় ।

2. হিজামা করলে কি ব্যথা লাগে?

না, সামান্য আঁচড় বা হালকা সুড়সুড়ির মত মনে হয়

3. হিজামা করলে কি শরীর দুর্বল লাগে ?

না, হিজামার পরে শরীর ফ্রেস মনে হয় , ভালো ঘুম হয় , শরীরে একটা প্রশান্তি অনুভূত হয়।

4. সুস্থ্য মানুষ কি হিজামা চিকিৎসা নিতে পারে?

অসুস্থ্য মানুষের সাথে সাথে সুস্থ্য মানুষ ও তার শরীর ঠিক রাখার জন্য এবং একটা সুন্নাহ পালনের জন্য হিজামা গ্রহন করতে পারেন ।

5. সুস্থ্য মানুষ কতদিন পর পর হিজামা গ্রহন করতে পারেন?

প্রতি ৩ বা ৪ মাস পর পর শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য হিজামা গ্রহন করতে পারেন

6. অসুস্থ্য মানুষকে কতদিন পর পর হিজামা নিতে হবে ।

এই সময়টা নির্ধারন করবে ডাক্তার , রোগের ও রোগীর অবস্থা অনুসারে এটা নির্ধারণ করা হয়।

7. শুনেছি , একবার হিজামা করলে নাকি বার বার হিজামা করতে হয় ?

না , এটা ভুল কথা ।

8. বাংলাদেশে কি হিজামা বৈধ চিকিৎসা ? এর জন্য কি আলাদা নীতিমালা প্রয়োজন আছে ?

অবশ্যই বাংলাদেশে হিজামা বৈধ চিকিৎসা , এর জন্য আলাদা নীতিমালা প্রয়োজন নেই । কারন , বাংলাদেশে আয়ুর্বেদ ও ইউনানী সিলেবাসে সরকারী ভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিলেবাস প্রনয়ন কমিটি সিলেবাসে হিজামা অন্তভুক্ত করে দিয়েছেন । তাই যারা চিকিৎসা করার রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি চিকিৎসক , তারা সবাই হিজামা করার জন্য সরকারের কাছ থেকে অনুমতি প্রাপ্ত এবং তারাই হিজামা করার জন্য সরকারী লাইসেন্স / রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হিজামা চিকিৎসক । তবে ব্যচেলর ফিজিওথেরাপিস্ট গন চায়নিজ ট্রেডিশনাল মেডিসিন হিসেবে কাপিং থেরাপি পড়ে থাকেন আর হিজামা কাপিং থেরাপির একটা পার্ট ।

9. তাহলে আয়ুর্বেদিক বা ইউনানি চিকিৎসক ছাড়া কি অন্য কেউ হিজামা করাতে পারবে না ?

অবশ্যই , হিজামা করাতে পারবে , তবে তার দুইটা জিনিশ থাকতে হবে
ক) অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া ডাক্তারি করার প্রাক্টিস রেজিট্রেশন
খ) ইউনানি বা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক না হলে , হিজামার উপরে প্রাক্টিক্যাল কিছু প্রশিক্ষণ

10. তাহলে আমরা যদি হিজামা নিতে চাই তাহলে কার কাছ থেকে নেবো ?

একজন ইউনানি বা আয়ুর্বেদিক বা অন্য প্যাথির ডাক্তারের কাছ থেকে যার বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া ডাক্তারি করার প্রাক্টিস রেজিট্রেশন আছে ।

11. হিজামা করার জন্য ডাক্তার কেনো হতে হবে এবং কেনো বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া ডাক্তারি করার প্রাক্টিস রেজিট্রেশন থাকতে হবে ?

কারন হিজামা একটা চিকিৎসা বিদ্যা , যেখানে রোগ সঠিকভাবে ডায়গোনোসিস করতে হয় , সঠিকভাবে এনাটমি ও ফিজিওলোজি জানতে হয় , প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার প্রয়োজন হয় , কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ প্রেক্রাইব করতে হয় । এগুলো একজন চিকিৎসক ছাড়া অন্যদের দ্বারা সম্ভব না । আর দেশের আইন অনুসারে কারো কোনো চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া ডাক্তারি করার প্রাক্টিস রেজিট্রেশন থাকতে হবে ।

12. যারা ১ দিন , ৫ দিন আবা এমন ছোটো ছোটো ট্রেনিং কোর্স করায় এবং এই ট্রেনিং যারা করেন তারা কি হিজামা করাতে পারবেন না ? আপনিও তো ১ দিনের কোর্স করান ।

হিজামা করাতে পারবেন , তবে প্রফেশনাল ভাবে বা চেম্বার দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা করাতে পারবেন না । তারা তাদের আপনজনদের হিজামা করাতে পারবেন ।

যেমন , আমরা জানি যে জ্বর হলে নাপা ট্যাবলেট খেতে হবে ।আমাশয় হলে মেট্রোনিডাজল খেতে হবে , পাতলা পায়খানা হলে ORS / খাবার স্যালাইন খেতে হবে । এগুলো আমকরা জানি এবং আমরা এভাবে নিজেদের রোগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে থাকি , তবে এর মানে এই না যে আমরা একটা চেম্বার নিয়ে রোগী দেখা শুরু করে দেই ।

ঠিক , তেমনি যারা হিজামা জানেন , শর্ট কোর্স করেছেন তারাও তাদের আপন জনদের জন্য হিজামা করাতে পারবেন প্রাথমিক বা প্রাইমারি চিকিৎসা হিসেবে ।

হ্যা , আমিও হিজামা কোর্স করাই , যেনো নিজের আপনজনদেরকে হিজামা করাতে পারেন । প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে ।

13. হিজামা কি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত?

আগে ধারনা করা হতো যে এটার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই , কিন্তু এখন বেশ কিছু বিজ্ঞানি গবেষনা করে এই বৈজ্ঞানিক ভিত্তি প্রমান করেছেন । আমার সামনে যে নতুন কম্পিলিট হিজামা ও কাপিং থেরাপির উপরে যে বই বের হবে সেখানে বিস্তারিত দেওয়া আছে । এখন চাইলে গুগোলে সার্চ দিয়ে আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন ।

14. হিজামার পয়েন্ট সহ রোগের কারন লক্ষন সহ সব দেওয়া আছে এমন একটা বইয়ের নাম বলুন।

বাজারে – আমার লেখা “ হিজামা “ নামের একটা বই আছে , যেখানে রোগের কারন লক্ষন সহ কোন রোগের কোন পয়েন্ট এমনি তিনটি মেথড আছে । সামনে এমন এরো একটা বড় বই বের হচ্ছে এছাড়াও বাজারে আরো কিছু বই আছে যা আপনি সংরহ করে পড়তে পারেন ।

15. হিজামা করলে কেমন কেমন খরচ হয় ?

একেকজন ডাক্তার ভাই একেক রকম টাকা নেন । এটা নির্ভর করে ডাক্তারের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার উপরে । তবে আমি সাধারনত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য ভিজিট নেই ৫০০ টাকা । আর হিজামা করার জন্য প্রতি পয়েন্ট ১০০ টাকা করে (ভ্যাকুয়াম মেসিন ব্যবহার করলে ২০০ টাকা , এটা সাধারনত মাথায় চুল থাকা অবস্থায় হিজামা করলে ) ।

হিজামা যারা করতে আসেন তাদের থেকে ৫০০ টাকা ভিজিট নেইনা , সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসার প্রসারের জন্য । শুধু প্রতি পয়েন্ট ১০০ টাকা করে এবং বিনা ভিজিটে প্রেসক্রিপশন দেই ( যদি ওষুধ লাগে তাহলে ) । আর আমি নিজের হাতেই হিজামা করাই ।

16. হিজামার ক্ষেত্রে অনেকে পেন ব্যবহার করে অনেকে আবার ব্লেড ব্যবহার করেন কোনটা ভালো?

অবশ্যই ব্লেড ভালো , তবে নতুন হিজামা থেরাপিস্টরা পেন ব্যবহার করে নিরাপত্তার জন্য ।

17. আপনি কি ব্লেড নাকি পেন ব্যবহার করেন?

আমি ১১ নাম্বার সার্জিক্যাল ব্লেড ব্যবহার করি ।

18. হিজামা করার পর দাগ কতদিন থাকে ? কাটা দাগ থাকে কিনা ?
হিজামা করার পর ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দাগ চলে যায় । আর দক্ষদের দ্বারা হিজামা করালে কাটার কোনো দাগ খুজে পাবেন না । আমার দ্বারা যারা হিজামা করায় তারা হিজামা করার পরে কাটা দাগ খুজে পায় না । কোথায় থেকে রক্ত বের হলো এই দাগ খুজে পায় না ।

19. হিজামায় নাকি বেশি রক্ত বের হওয়া ভালো ?

না , কথাটা ঠিক না। কারো রক্ত বেশি বের হয় , কারো খুব অল্প বের হয় , রক্ত বেশি বা কম বের হওয়ার সাথে ভালো মন্দের সম্পর্ক নাই ।

20. আপনার কাছে ১ দিনের হিজামা কোর্স করার জন্য কত টাকা খরচ হবে?

সামনে একটা ব্যাচ আছে ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২০২১ , এই কোর্সের জন্য ১০০০ টাকা করে কোর্স ফি । এর পরের কোর্সগুলোতে আমরা ২০০০ টাকা করে কোর্স ফি নেবো । এই কোর্সে থাকার জন্য
01712 859950 অথবা 01972 859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর সাথে কথা বললেই হবে ।

লেকচার শিট এবং কোর্স শেষে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে ( কোর্সে উপস্থিত থাকার একটা সার্টিফিকেট , এটা কোনো একাডেমিক সার্টিকেট না )

21. শুনেছি হাদিসে হিজামার কথা বলা আছে , এমন কয়েকটি হাদিস দিলে উপকার হয়

নিম্নে এমন কিছু হাদিস দিয়েছিঃ
হযরত আনাস রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে (হিজামা)।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর : ৩৪৮৬

হযরত আনাস রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে গিয়েছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন।” সুনানে তিরমিযী হাদীছ নম্বর : ২০৫৩

হযরত আনাস রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ, কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে।” আল-হাকিম, হাদীছ নম্বর : ৭৪৮২

হযরত জাবির রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” ছহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর : ২২০৫
হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর : ৩৪৮৭

হযরত আবদুল্লাহ্ বিন আব্বাস রদিয়াল্লহু আনহু থেকে বর্ণিত : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হিজামাকারী কতই উত্তম লোক। সে দুষিত ( টক্সিন যুক্ত ) রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” সুনানে তিরমিযী, হাদীছ নম্বর : ২০৫৩

22. হিজামা কি কি রোগের জন্য উপকার করে?

মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, উচ্চরক্তচাপ ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia) ,স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease) , অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত ,ব্যাক পেইন , হাঁটু ব্যাথা ,দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা ,ঘাড়ে ব্যাথা্, কোমর ব্যাথা , পায়ে ব্যাথা ্মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain) , হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথ , রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন , মুটিয়ে যাওয়া (obesity) , দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses) , চুলের পুষ্টির অভাবজনিত কারনে চুল পড়া (Hair fall) ,মানসিক সমস্যা সহ আরো অনেক সমস্যার জন্য হিজামা করা হয় ।

23. শুধুমাত্র হিজামা দ্বারাই কি রোগ ভালো হবে নাকি ওষুধও খেতে হবে ?
কিছু ক্ষেত্রে হিজামার সাথে ওষুধের প্রয়োজন হয় , আর কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র হিজামা দ্বারাই খুব ভালো রেজাল্ট পাওয়া যায় । কখন হিজামার সাথে ওষুধ প্রয়োজন হবে তা ডাক্তার রোগ নির্নয়ের সময় রোগীকে বলে দিবে ।

24. কোন দিন ও কত তারিখ হিজামা করা উত্তম , রেফারেন্স সহ বলুন।

হিজামার উত্তম তারিখঃ
সাধারণত হিজামার জন্য উত্তম তারিখ হচ্ছে চান্দ্র মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ।

আনাস বিন মালেক (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘাড়ের দুই পাশের শিরায় এবং ঘাড়ের কাছাকাছি পিঠের ফুলা অংশে হিজামা করাতেন। তিনি মাসের সতের, ঊনিশ ও একুশ তারিখে হিজামা করাতেন।[ তিরমিযী হা/২০৫১, ২০৫৩; ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/৩৪৮৩; আবুদাঊদ হা/৩৮৬১, সনদ ছহীহ।]

যদি অসুস্থতা বা ব্যথা অনুভূত হয় তবে উক্ত তারিখের অপেক্ষা না করে যে কোনো সময় হিজামা করানো যাবে।

হিজামার উত্তম দিনঃ

ইবনু ওমর (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘আল্লাহর বরকত লাভের আশায় তোমরা বৃহস্পতিবার হিজামা করাও এবং বুধ, শুক্র, শনি ও রবিবার বেছে নেওয়া থেকে বিরত থাক। আর সোম ও মঙ্গলবারে হিজামা করাও’।[ইবনে মাজাহ হা/৩৪৮৭-৩৪৮৮, সনদ হাসান।]

সুত্রঃ সম্মানিত ডাঃ ফাইজুল হক এর ফেইসবুক ওয়াল থেকে নেয়া

অ্যাডমিন বার্তাঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ জাহাঙ্গীর বিন সফিকুল। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

One response to “হিজামা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং ব্যাখ্যা জানুন”

  1. I have been awarded the Doctor of Philosophy (Ph.D.) from UNIMAS with Achievements of Postgraduate Zamalah Scholarship, Malaysia and PhD Fellowship from the ICTD, Government of People’s Republic of Bangladesh. From my PhD research, I developed a formula, called “ISNAH Effect” (Impact of Sensor Networks towards Animals and Human beings). The formula as:
    “Due to the active sensor technology, every human, animal or object is affected by the fluctuated frequencies of its movement through electromagnetic transmission within the boundaries of the body located in the GPS position, and this effect is proportional to its weight and disproportionate to its GPS positions. As a result, the person, animal or object is damaged by the changing waves and for recovery systems, the object should change existing location instantly.”
    I would like to inform you that Coronavirus is nothing but misusing of sensor technology towards individual’s eyes and other organs within GPS locations. This is identified from the ISNAH Effect. It’s impact and recovery systems are illustrated in different publications, such as:
    i. Effect of Coronavirus Worldwide through Misusing of Wireless Sensor Networks (google scholar and google). URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.bioinformatics.20211101.01.html
    ii. A Dynamic Scientific Model for Recovery of Coronavirus Disease (google scholar and google). URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.fs.20211101.01.html
    iii. Impact of Sensor Technology Enhancing Corona Disease (google scholar and google).
    URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.ajbe.20201001.03.html
    iv. Processed Radio Frequency towards Pancreas Enhancing the Deadly Diabetes Worldwide
    URL: https://ojs.bilpublishing.com/index.php/jer/article/view/2826
    v. Impact of Sensor Networks towards Individuals Augmenting Causes of Diabetes
    URL: http://article.sapub.org/10.5923.j.diabetes.20200902.02.html
    vi. Cyber Dazzal: Barriers to Sound Health (google scholar and google).
    URL: https://www.rokomari.com/book/202988/cyber-dazzal—sushaysther-ontoray (google).
    vii. ISNAH, URL: https://www.youtube.com/watch?v=WzC23dc1L2w
    viii. My details in ORCiD: https://orcid.org/0000-0002-6271-4100

    গবেষণার ফলাফল: (1) যেকোন ব্যক্তি, প্রাণী , বস্তু অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশ ও জলবায়ুকে নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট জিপিএস বা স্যাটেলাইট অবস্থানে ক্ষতি করা যায়, পুড়ে ফেলা যায় অথবা মেরে ফেলা যায়।
    (2) আলো ও অন্ধকারে যেকোন ব্যক্তি, প্রাণী অথবা বস্তুর অবস্থান জানা যায় খোলা চোখের মাধ্যমে, কথাবার্তায়, শব্দ করায় অথবা বর্তমান অবস্থানের মাধ্যমে।
    (3) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রাণী ও বস্তু অন্ধকার ও আলোতে যা কিছু করে বা করছে তা নির্দিষ্ট দূরত্বে সেন্সর প্রযুক্তি দিয়ে নেটওয়ার্ক ও নেটওয়ার্কবিহীন অবস্থায় অবলোকন ও রেকর্ডভূক্ত করা যায়।
    (4) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রাণীকে সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ও রোগের প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি বা প্রাণী ক্ষতিগ্রস্থ স্থান থেকে চোখ বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গে সরে গিয়ে নেটওয়ার্কবিহীন জায়গায় অবস্থান নিলে, সে প্রভাবমুক্ত থাকবে।

    কাজেই, করোনা ভাইরাস এমন একটি নাম, যা পৃথিবীর ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। ইহা প্রযুক্তিগত সেন্সর লেজার প্রোগ্রামিং ভাইরাস, যা বায়ুমন্ডলে ভৌগোলিক সীমানায় সাইবার হ্যাকাররা মানুষ ও প্রাণীর দেহে ইহার অপব্যবহার করে। ইহা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশেষ করে গলায় বা শ্বাসনালীতে অক্সিজেন/কার্বন ডাই-অক্সাইড চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে, উক্ত কোষবস্তুতে ইলেক্ট্রন চলাচলে সমস্যা হয়, আবার এটি হার্টের মহাধমনীতে রক্ত প্রবাহেও বাধা দেয়, এভাবে যেকোন ব্যক্তি/প্রাণী করোনাসহ কমপক্ষে ৩৬২টি রোগে আক্রান্ত হয়। আর এমনভাবে উক্ত ব্যক্তি/প্রাণী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে, জ্বর জ্বর অনুভব করে, সর্দি-কাশিসহ শরীরে অস্বস্তি দেখা দেয়, পরিশেষে সংশ্লিষ্ট অসুস্থ ব্যক্তির অকাল মৃত্যু হয়। ইহা সেন্সর প্রযুক্তিগত ভাইরাস এবং অসংক্রামক। এই ভাইরাস বায়োলজিক্যাল নয়, ইহা টেকনোলজিক্যাল প্রোগ্রামিং এবং সাইবার হ্যাকারদের দ্বারা মোবাইল রিমোট সেন্সিং-এর মাধ্যমে বিস্তৃত করা হয়। সাইবার হ্যাকারদের চার সদস্য বিশিষ্ট একটি ব্যবস্থাপনা দল আছে। তাদের মধ্যে আবার তিনজন অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং ১ জন আশ্রয়দাতা। এই চার জনের ছদ্মনাম হচ্ছে: (১) ট্যাঙ্গাল ফেরাউন বারী হাতেম, (২) নরসি নমরুদ জসিম, (৩) চিচাং কারুন নিজাম, এবং (৪) মহাখালী ক্যান্ডেল তাজ। তাদের প্রত্যেকের চারটি করে সহকারী উপদল আছে। প্রত্যেক উপদলে আলাদাভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা আছে এলাকাভিত্তিক বা দেশভিত্তিক। তারা নির্দিষ্ট সময় পর পর সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেলিমেটিক্স দিয়ে নির্দিষ্ট ফ্রিকুয়েন্সির জন্য মানব বা প্রাণীদেহে নতুন নামে রোগ সৃষ্টি করে, তা বিভিন্নভাবে বিস্তার করতে থাকে। কোন ব্যক্তি যখন বুঝতে পারছেন যে, তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বা হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে না গিয়ে, নেটওয়ার্কবিহীন জায়গায় যেতে হবে। উক্ত জায়গায় তিনি অবস্থান করবেন নীরব-নিস্তব্দে, সানগ্লাস পড়ে শক্ত করে চোখ বন্ধ করবেন, সঙ্গে সঙ্গে সরে যাবেন নেটওয়ার্কবিহীন জায়গায়, কোন কথা বা শব্দ ছাড়াই শুধু ইশারা ইঙ্গিতে যোগাযোগ করবেন। শরীরের অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়ার পর্যন্ত ঐসময়ে উক্ত জায়গায় কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবেনা। আবার কোন ব্যক্তি যদি ভুলক্রমে কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যায়, তবে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশি, কারণ ঐসব স্থানে সাইবার হ্যাকাররা আঁড়িপেতে আসে-পাশে লুকিয়ে থেকে সেন্সর প্রযুক্তি দিয়ে ট্রাক্ট করে মানুষ ও প্রাণির মৃত্যু ঘটায়, যা আমার গবেষণা থেকে জানা যায়। আল্লাহ পাক হেফাজত করুন সবাইকে, আমীন।
    ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই করোনা রোগের চিকিৎসা
    কোন ব্যক্তি যদি রিমোট প্রত্যঞ্চল জায়গায় বসবাস করে, যেখানে নিয়মিত কোন রেজিস্টার্ড ডাক্তার নাই। তখন তাকে বিকল্প ব্যবস্থা চিন্তা করতে হবে। যেমন: করোনা রোগের কোন লক্ষণ দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে দ্রুত সরে যেতে হবে। চোখ বন্ধ করে সানগ্লাস পড়েই জায়গা পরিবর্তন করে নতুন জায়গায় অবস্থানকালীন কোন ব্যক্তির সঙ্গে যেকোন ধরণের মোবাইল ফোন বা ওয়াই-ফাই থাকবে না, এবং কোন শব্দ বা কথাও বলা যাবে না, স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ইশারা-ইঙ্গিতে সব ধরণের যোগাযোগ হবে। কমপক্ষে ২ থেকে ৬ মিনিট পর্যন্ত প্রত্যেক ক্ষেত্রে ২-৬ ফুট দূরে থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যে জায়গায় অবস্থান করবেন, সেখানে নেটওয়ার্ক কন্ট্রোল ইউনিট বা জেমার মেশিন অথবা নেটওয়ার্ক আইসোলেটর অবশ্যই সেট আপ থাকতে হবে। কোন ব্যক্তি যখনই হাঁচি, কাশি,হাই, জ্বর জ্বর ও মাথা ব্যথা বা অস¦স্তি অনুভব করবেন, সঙ্গে সঙ্গে তার বর্তমান অবস্থা অবশ্যই পরিবর্তন করতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তিকে চোখে সানগ্লাস পরতে হবে, কখনো অন্ধকারে ঘুমানো বা অবস্থান করা যাবে না এবং সুস্থ না হওয়ার পর্যন্ত নিয়মিত লেবু-আদা চা খেতে হবে। তাছাড়া, একচামচ লেবুর জুস, একটা প্যারাসিটামল (৬০০ মিগ্রা.) ও এক গ্লাস ওরাল স্যালাইন একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। আবার নিয়মিত রসুন, কালিজিরা, নিম পাতার গুড়া ও মধু পরিমাণ মতো একসঙ্গে মিশিয়ে খাবেন এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য মাঝে মাঝে আপনার বিছানার অবস্থান পরিবর্তন করবেন এবং স্মার্টফোন ব্যবহারে খুবই সচেতন হবেন। এন্টিরেডিয়েশন বেড ও মশারী অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে, তবে সেগুলো ব্যয়বহুল।
    তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও করোনা রোগ নিরাময়ে সঠিক প্রতিষেধক আবিষ্কার করা খুবই কঠিন। সেন্সর প্রযুক্তির সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে অনেক মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী অবগত না। সাইবার হ্যাকাররা সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠির মধ্যে আসে-পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এবং ইচ্ছামতো ইহার অপব্যবহার করছে। পুলিশ ও অন্যান্য সিকিউরিটি ফোর্স এব্যাপারে অনেকেই ওয়াকিবহাল না। তাছাড়া তরঙ্গমালার নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই স্মার্টফোনের ব্যবহার অনেকেই ইচ্ছামতো করছে, কোন নিয়ম-নীতি মেনে চলছে না। ফলে অস্বাভাবিকভাবে করোনাসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তাই করোনা মোকাবিলায় জাতীয় সরকারসহ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ। যেমনঃ (ক) পিয়ন, অফিস সহকারী, ড্রাইভার, সেক্রেটারি ও বাসার কাজের লোকসহ সকল পরিচিত/অপরিচিতদের সঙ্গে একে অপরে দেখা করার সময় নিশ্চিত হতে হবে যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্মার্টফোন বা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস অবশ্যই বন্ধ আছে বা ৬ ফুট দূরে আছে। নিজের বা অন্যের মোবাইল ফোন সঙ্গে রেখে সাক্ষাৎ করা যাবে না, (খ) বিছানায় এবং বালিশের আসে-পাশে, বাথরুম, রান্নাঘর, ডাইনিংরুম, মিটিংরুম, পড়ার টেবিলসহ কিছু নির্ধারিত জায়গায় মোবাইল ফোন দিয়ে সব ধরণের অডিও-ভিডিও, কথা বলা এবং ব্যবহার করা যাবে না, (গ) ঘুমানোর কক্ষ অবশ্যই নেটওয়ার্কবিহীন এবং সেন্সর মুক্ত থাকতে হবে, উক্ত কক্ষে যেকোন ব্যক্তি বা প্রাণী কখনও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারবেনা, করলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে, (ঘ) মানসিক প্রশান্তি থাকা ও এক জায়গায় বা বিছানায় স্থির না থেকে নিয়মিত সরে যাওয়া এবং মাঝে-মধ্যে বডি মুভমেন্ট রাখা উচিৎ, (ঙ) চিকিৎসাকেন্দ্র, ক্লিনিক, হাসপাতালে ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা, অপারেশন ও পরীক্ষার সময় ডাক্তার, নার্স, রোগী, ল্যাবটেকনিশিয়ান, সহকারী ও সাপোর্ট স্টাফ প্রভৃতি সবাই কখনও মোবাইলফোন ও সেন্সর ডিভাইস নির্দিষ্ট জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেনা, (চ) ভৌগোলিক কোন এলাকায় করোনা রোগের প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা দিলে সেই এলাকায় লোকাল ও আন্তর্জাতিক মোবাইল নেটওয়ার্ক, সেন্সর নেটওয়ার্ক ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রয়োজন অনুসারে কমপক্ষে ৩০-৪০ মিনিট সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন করে দিলেই করোনা প্রতিকারের সুফল পাওয়া যাবে।

    ড. মোঃ রহিমুল্যাহ মিঞা,
    বিভাগীয় প্রধান, স্বাস্থ্যে তথ্যগত প্রযুক্তি বিভাগ,
    নর্থইষ্ট মেডিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড,
    দক্ষিণ সুরমা, সিলেট, বাংলাদেশ।
    টেলিফোনঃ 880-821-729241-3, এক্স: 110.
    মোবাইলফোন: 01720477740.
    ই-মেইল: rahinemc@yahoo.com
    ORCiD: https://orcid.org/0000-0002-6271-4100

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

ইমেইলে পোস্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন:

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (সকাল ৭:০৪)
  • ২৭শে অক্টোবর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২০শে রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
  • ১১ই কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
জাতীয় হেল্প লাইন