আজ শনিবার,২১শে ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,৬ই মার্চ ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

পিত্তথলীর পাথরের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির সাফল্য

পিত্তথলীর পাথরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ

 

পিত্তথলিতে পাথর হওয়া খুবই পরিচিত একটি সমস্যা।
চারপাশের অনেকেরই কাছ থেকে এই অভিজ্ঞতা শোনা
যায়, এই পাথর কি সত্যি সত্যি পথের কুড়িয়ে পাওয়া নুড়ি পাথরের মতো, নাকি অন্য কিছু? আর কীভাবেই বা সন্দেহ হবে যে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে আপনার?

পাথর আসলে কী?

পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির
হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথরটা
তৈরি তার ওপর।
কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি
পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙেরও হতে পারে। পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও তলার
দিকে থাকে পিত্তথলি। পিত্তরস তৈরি করাই এর
কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার
হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়।
নানা কারণে এই পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ অতিরিক্ত জমেগিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে।

কাদের হয় বেশি?

স্থূল ও ওজনাধিক্য ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি
হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এই প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

কীভাবে বুঝবেন?

পিত্তথলির অবস্থানটা পেটের কোথায় তা আগেই বলা হয়েছে। পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ হয়,
যাকে কোলেসিস্টাইটিস বলা হয়। তখন ওপর পেটের
ডানদিকে তীব্র ব্যথা হতে পারে। মিনিট খানেক হতে
ঘণ্টা খানেক স্থায়ী হতে পারে এই ব্যথা। পেটের
পেছন দিকে, কাঁধে, পেটের মাঝ বরাবর এমনকি বুকের
ভেতরও ছড়িয়ে পড়তে পারে ধীরে ধীরে। সেই সঙ্গে
বমি ভাব বা বমি, হালকা জ্বর ইত্যাদি উপসর্গ দেখা
দিতে পারে। অনেক সময় পাথর পিত্তথলি থেকে বোরোতে গিয়ে
পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের
বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে
পারে।
রোগ নির্ণয়ের জন্য এই উপসর্গের পাশাপাশি
পেটের আলট্রাসনোগ্রামই যথেষ্ট। পাথরের অবস্থান
জানতে বা প্রয়োজনে বের করতে ইআরসিপি জাতীয়
পরীক্ষা করা যেতে পারে।
তবে পেটের আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা বা এমনকি হূদেরাগেও কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয়
করে নেওয়া দরকার হয়।

চিকিৎসা কী?

এলোপ্যাথিতে সাধারণত প্রদাহ ও তীব্র ব্যথার সময়
কয়েক দিনের জন্য মুখে খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে
দিয়ে স্যালাইন ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে প্রাথমিক উপশমের চেষ্টা করা হয় এবং
পিত্তথলি
ফেলে দেওয়ার পন্থা অবলম্বন করা হয়
কিন্তু একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে কোন ধরনের অপারেশন ছাড়াই হোমিওপ্যাথিক ঔষধ এর মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়, হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করার কয়েক ঘন্টার মধ্যে ব্যথা চলে যাবে
আলাদা করে ব্যাথানাশক ঔষধ সেবন করার কোন প্রয়োজন নেই
.
পিওথলীতে পাথরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :
পিওথলীতে পাথরের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
সফলতার সহিত ব্যবহার করা হয়
পাথর হলে ঘাবড়ে যাওয়ার কোন কারন নেই
আছে এর চিকিত্সা ও সমাধান ,
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন মাত্রই ব্যাথা দুরিভুত
হয় এবং রোগী চলে যায় আরোগ্যের দ্বারপ্রান্তে
এবং কয়েক মাস ঔষধ খাওয়ার পর রোগীর সকল symptoms গুলো চলে যায়,
এবং investigation করলে দেখা যায়
USG shows : normal
বিলিরুবিন নরমাল……………
তাই পিত্তথলি তে পাথর হলে দেরী না করে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার এর পরামর্শ নিন।
কেন শুধু শুধু দেহের একটা গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কেটে ফেলে দিবেন।
তাই সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

লক্ষ্মণ ভিত্তিক যেকোন ঔষধই আসতে পারে তবে পিত্তথলি পাথরের বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ দেওয়া হলো প্রাথমিক ধারনা দেওয়ার জন্য ঃ চেলিডোনিয়াম, কার্ডুয়াস মেরিনাস, লাইকোপোডিয়াম, নেট্রাম সালফ, পালসেটিলা

বিঃ দ্রঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন ক্ষতির কারন হতে পারে।

 

সূত্রঃ ইন্টারনেট

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার (রাত ৮:৫১)
  • ৬ই মার্চ ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২১শে রজব ১৪৪২ হিজরি
  • ২১শে ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)