আজ সোমবার,৭ই আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২১শে জুন ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কম্পন বা কাপুনি হলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিন

কম্পন (কাপুঁনি)

 

রোগ বিবরন : ইহা বড় কষ্টকর ব্যাধি। কোন কিছু ধরতে গেলে হাত কাঁপে, লেখতে গেলে আঙ্গুল কাঁপে। লেখা অসম্ভব হইয়া হইয়া উঠে। বৃদ্ধ বয়সে এই রোগ অধিক হইতে দেখা যায়। মাথা কাঁপে, হাত কাঁপে, পা কাঁপার জন্য ঠিক মত হাঁটিতে পারে না।

চিকিৎসা

আর্জেন্ট মেট (Argent Met) : হস্তমৈথুন, সপ্নদোষ, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম জনিত শুক্র ক্ষয় করিয়া দুর্বলতা, ম্বরন শক্তি লোপ, খিট খিটে মেজাজ, শীত কাতর এই ধাতুর রোগীদের লিখিতে আঙ্গুল কাঁপায় ইহা উৎকৃষ্ট ঔষধ।

সেবন বিধি : শক্তি 30, 200 সকাল বিকাল দিনে দুই মাত্রা। পুরাতন রোগে আরো উচ্চ শক্তি 1m সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

জেলসিমিয়ম (Gelsemium) : স্নায়ুবিক দুর্বলতা, নিস্তেজ ভাব, ক্লান্তি, লিখতে বা কোন কিছু ধরতে গেলে হাত কাঁপে। চলিতে পা ইচ্ছা অনুসারে ফেলিতে পারে না। সর্বদা ঘুম ঘুম ভাব। ঘুমাইলে রোগী চমকাইয়া উঠে প্রভূতি লক্ষনে ইহা উপকারী।

সেবন বিধি : শক্তি 6, 30, 200 প্রত্যহ দুই বার।

আ্যগারিকাস (Agaricus) : বৃদ্ধ বয়সে মাথা হইতে কম্পন আরম্ব হইয়া হাত, পা কাঁপে কাহারো সমস্ত শরীরও কাঁপিতে দেখা যায়।

সেবন বিধি : শক্তি Q ৪ ফোঁটা সামান্য জলের সহিত প্রত্যহ তিন বার।

স্ট্যানাম (Stannum Met) : রোগী অত্যন্ত বিষন্ন, অল্পেই কেঁদে ফেলে, ক্রন্দনশীল মনে করে বুকের ভিতরটা খালি, বুকের দুর্বলতা, অল্প পরিশ্রমে অত্যন্ত ক্লান্তি বোদ করে। উপর থেকে নিচে নামিতে অর্থাৎ সিঁড়ি বাহিয়া নিচে নামিতে হাঁপাইয়া পড়ে। শীত কাতর এই ধাতুর রোগীদের কোন দ্রব্য ধরিতে গেলে হাত কাঁপে। লিখতে গেলে বা টাইপ করিতে গেলে হঠাৎ আঙ্গুল ধাক্কা মারে।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 প্রত্যহ সকাল বিকাল দুই মাত্রা। পুরাতন রোগে 1m বা 10m সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

লোলিয়াম (Loleum): লিখতে বা কোন বস্তু ধরিতে হাত কাঁপে, আঙ্গুলের কম্পন জনিত কারনে লেখা অসাধ্য হইয়া পড়ে।

সেবন বিধি : শক্তি 6, 30 প্রত্যহ দুই বার।

এসিড সালফ (Acid Sulph) : অতিরিক্ত খেলার কাজ করে হাতে পক্ষাঘাত। এমনকি লিখতে গেলে হাত কাঁপে। এসিড সালফ তা আরোগ্য করিতে পারে।

সেবন বিধি : শক্তি 200 সপ্তাহে এক দিন সকালে এক মাত্রা। পুরাতন রোগে 1m, বা 10m বা আরো উচ্চ শক্তি।

আর্নিকা মন্ট (Arnica Mont) : শরীরের কোন স্থানে আঘাত লাগা হেতু কম্পন রোগের সৃষ্টি হইলে আর্নিকা মন্ট অব্যর্থ।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 দিবসে দুই বার।

জিঙ্কাম মেট (Zincum Met): শরীরের নিম্নাঙ্গের অর্থাৎ উভয় পায়ের কম্পন রোগে জিঙ্কাম একটি মহৎ কার্যকারী ঔষধ। কোন প্রকার কঠিন পীড়ায় রোগীর পা নড়িতে দেখিলে জিঙ্কাম দেবেন উপকার হইবে। চেয়ার বেঞ্চিত বসিয়া কিংবা দাঁড়াইয়া পা নাচানোর মুদ্রা দোষ জিঙ্কামে দূর হয়।

সেবন বিধি : শক্তি 30, 200 দিনে দুই মাত্রা। পুরাতন রোগে আরো উচ্চ শক্তি সকালে এক মাত্রা।

বাইওকেমিক চিকিৎসা

ম্যাগনেশিয়া ফস (Megnesia Phos): ইহা কম্পনের প্রধান ঔষধ। রক্ত শূন্য দুর্বল রোগীদের ম্যাগনেশিয়া ফসের সঙ্গে ক্যালকেরিয়া ফস পর্যায়ক্রমে কিছু অধিক দিন সেবন উপকার হয়।

সেবন বিধি : শক্তি 3x, 6x ২/৪ বড়ি এক মাত্রা বয়স অনুপাতে প্রত্যহ চার বার। পুরাতন রোগে আরো উচ্চ শক্তি।

পথ্য ও আনুষাঙ্গিক ব্যবস্থা

সহ্য মত ব্যয়াম করা ভাল। ঠান্ডা লাগানো অনুচিত। সকাল বিকাল খোলা বায়ুতে ভ্রমন করা হিতকর। মাছ, মাংস, ডিম ঘৃত পুষ্টিকর আহার করা কর্তব্য। টক খাওয়া নিষেধ।

অ্যাডমিন বার্তাঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

ইমেইলে পোস্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (রাত ১:২২)
  • ২১শে জুন ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১০ই জিলকদ ১৪৪২ হিজরি
  • ৭ই আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
জাতীয় হেল্প লাইন