আজ সোমবার,৭ই আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২১শে জুন ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কাশি বা কফ হলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন

কাশির চিকিৎসা

 

 

রোগ বিবরন : কাশি নিজে কোন রোগ নয়। অন্য রোগের উপসর্গ স্বরুপ। ঠান্ডা বা সর্দি লাগা ঠান্ডা দ্রব্য আহার, উপ জিহ্বা বৃদ্ধি ইত্যাদি কারনে কাশি হইয়া থাকে। সাধারনতঃ কাশি দুই প্রকার সরল ও শষ্ক কাশি। কাশির সময় কিছু বাহির না হইলে শষ্ক কাশি। কাশির সময় তরল শ্লেষ্মা হইলে বাহির হইলে তাহাকে সরল কাশি বলে।

চিকিৎসা

একোনাইট ন্যাপ (Aconite Nap) : গরম হইতে ঠান্ডা লাগিয়া গলা সুড় সুড় করিয়া খুক খুকে শুস্ক কাশি, কাশিতে রোগী বেদম হইয়া পড়ে। কাশির প্রথমাবস্থায় অবিশ্রান্ত কাশিতে ইহা উৎকৃষ্ট ঔষধ।

সেবন বিধি : শক্তি 3x বা 6x দুই ঘন্টা অন্তর।

বেলেডোনা (Belladona) : প্রবল শুস্ক কাশি, অবিরত গলা সুড় সুড় করে, গলার ভিতর বেদনা, ঢোক গিলিতে কষ্ট। কাশিতে কাশিতে চোখ মুখ লাল হইয়া উঠে। ঠান্ডা লাগিয়া কাশির উৎপত্তি।

সেবন বিধি : শক্তি 3x বা 6 তিন ঘন্টা অন্তর।

ক্যালি হাইড্রো (Kali Hydrio): ঠান্ডা লাগিয়া কাশি। সেই কাশি অধিক দিন স্থায়ী হইলে কাশিলে যে গয়ার (শ্লেষ্মা) উঠে তাহা পরিমানে অত্যন্ত অধিক। শ্লেষ্মার স্বাদ লোনতা। কাশিতে কাশিতে রোগীর অত্যন্ত দুর্বল হইয়া পড়ে।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 সকাল বিকাল দু্ই বার। পুরাতন রোগে 1m বা 10m সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

রিউমেক্স (Rumex) : গলা সুড় সুড় কুট কুট করিয়া অবিরত শুস্ক কাশি, কাশি ঠান্ডায় বৃদ্ধি, ঠান্ডা বাতাসে বৃদ্ধি, সন্ধ্যায় বৃদ্ধি, শয়নে বৃদ্ধি, মাঝে মাঝে কাশির দমকে অসাড়ে প্রস্রাব নিঃসরন হইয়া যায়।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 তিন ঘন্টা অন্তর।

স্যাম্বুকাস (Sambucus) : সর্দি কাশি, রাত্রে কাশির বৃদ্ধি, ঘুমের ঘরে শিশু কাশিতে কাশিতে দম বন্ধের ভাব হয়। বুকের ভিতর সাঁই সাঁই ঘড় ঘড় শব্দ, শ্বাস গ্রহন করিবার জন্য ব্যাকুল হইয়া পড়ে। সর্দিতে নাসিকা বন্ধ, মুখ দিয়া নিঃশ্বাস ফেলে, শিশু স্তন দু্ধ পান করিতে কষ্ট।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 তিন ঘন্টা অন্তর।

ক্যালি বাইক্রম (Kali Bich) : গলা কুট কুট করিয়া কাশি, কাশিতে কাশিতে অধিক পরিমানে গয়ার উঠে। গয়ার (শ্লেষ্মা) ফেলিতে গেলে আঠার মত ঠোঁটে লাগিয়া থাকে। হাত দিয়া টানিয়া ফেলিতে সুতার মত লম্বা হইয়া পড়ে। শ্লেষ্মা টানিলে রবারের মত লম্বা হওয়াই ক্যালি বাইক্রমের বিশেষ লক্ষন।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 চার ঘন্টা অন্তর।

ষ্ট্যানাম মেট (Stannum Met) : সরল বা শুস্ক উভয় প্রকার কাশিতে কাশিতে ষ্টেনাম উপযোগী। সরল কাশিতে প্রচুর পরিমানে ডিমের অংশের ন্যায় শ্লেষ্মা নির্গত হয়। শ্লেষ্মার স্বাদ মিষ্ট। সন্ধ্যা রাত্রে ও ডান পার্শে শুইলৈ কাশির বৃদ্ধি। কথা বলিলে, গান করিলে, হাসিলে, গরম দ্রব্যাদি পান করিলে কাশি বাড়ে।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 প্রত্যাহ দুই মাত্রা।

ইপিকাক (Ipecac) : খুক খুকে কাশি, গলায় সাঁই সাঁই ঘড় ঘড় শব্দ, কাশিতে কাশিতে বমি করিয়া ফেলে। বমির চেয়ে বমির ভাব বেশী। গা বমি বমি, জিহ্বা পরিস্কার, ইহাতে ইপিকাক উপকারী।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 তিন ঘন্টা অন্তর।

ব্রাইওনিয়া এলব (Bryonia Alb) : শুষ্ক কাশি দিনের চেয়ে রাত্রে কাশির বৃদ্ধি। কাশিতে কাশিতে বুকে সুচ ফুটানো ব্যাথা। ব্যথার স্থান চাপিয়া ধুরিলে উপশম। অনেকক্ষন কাশিলেও গয়ার উঠেনা। মাঝে মাঝে হলুদ বর্ণের রক্ত মিশ্রিত শ্লেষ্মা। কোষ্ঠবন্ধ ইত্যাদি লক্ষনগুলি ব্রাইওনিয়ার প্রধান পরিচয়।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 দিনে দুই মাত্রা। ব্রাইওনিয়ার সম্পূর্ণ উপকার না হইলে ক্যালি কার্ব প্রযোজ্য।

ষ্টিক্টা (Sticta) : ঠান্ডা লাগিয়া সর্দি, হাঁচি গলা সুড় সুড় করিয়া ঘন ঘন কাশি। রাত্রে কাশির বৃদ্ধি। গলা সুড় সুড়ানি কাশিতে রোগীর ঘুম হয় না। সর্দি শুকাইয়া নাশিকা বন্ধ হইয়া থাকে। হাম জ্বরের পর শিশুদের অবিশ্রান্ত কাশিতে ষ্টিক্টা ব্যবহার করিতে দিয়া আমি যথেষ্ট উপকার পাইয়াছি।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 দুই তিন ঘন্টা অন্তর।

স্পঞ্জিয়া (Spongia) : গলায় সাঁই সাঁই শব্দ (করাত দিয়া কাঠ চেরার মত) কাশিতে কাশিতে রোগী বেদম হইয়া পড়ে। শিশুদের ঘুংড়ি কাশিতে এই ঔষধটি উত্তম কার্যকারী। ঘুংড়ি কাশিতে একানইটের সহিত স্পঞ্জিয়া পর্যায়ক্রমে সেবন করিতে ‍দিয়া বহু রোগী আরোগ্য হইতে দেখিয়াছি।

সেবন বিধি : শক্তি 6 দুই ঘন্টা অন্তর পরে হিপার 200 শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

ফসফরাস (Phophorus) : নম্র স্বভাব, অল্প কথায় মনে ব্যথা, তীক্ষ্ বৃদ্ধি, লম্বা এক হারা চেহারা, হাঁটিতে সম্মুখ দিকে একটু ঝুঁকিয়া চলে। অল্পেই ঠান্ডা লাগে, শীত কাতর এই ধাতুর রোগীদের গলা সুড় সুড় করিয়া কাশি, কাশি সন্ধ্যা হইতে বাড়ে। বাম পাশে চাপিয়া বা চিত হইয়া গুইলে কাশি বাড়ে। কথা বলিলে বা হাসিলে বাড়ে। শ্লেষ্মার সহিত মাঝে মাঝে রক্তের ছিট, হলুদ বর্ণের পুঁজের মত গয়ার নির্গত হয়। স্বাদ লোনা প্রভৃতি লক্ষনে ইহা অমোঘ।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 সকাল বিকাল।

হিপার সালফ (Heper Sulph) : কাশি কখনও শুষ্ক কখনও সরল গলায় সাঁই সাঁই ঘড় ঘড় শব্দ। মুখে বাতাস লাগিলে ও কাশি বাড়ে। অনেকক্ষন কাশিলে অল্প একটু উঠে। কাশিতে কাশিতে রোগী ঘর্মান্ত হইয়া যায়। শীত কাতর, মেজাজ রাগী, অল্পেই রাগিয়া উঠে প্রভুতি লক্ষনে হিপার উপযোগী।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 তিন চার ঘন্টা অন্তর।

এন্টিম টার্ট (Antim Tart) : বুকে সর্দি বসিয়া গলায় সাঁই সাঁই ঘড় ঘড় শব্দ। অনেকক্ষন কাশিয়াও গয়ার তুলিতে না পারিয়া নিস্তেজ হইয়া পড়িয়া থাকে। দম আটকানো কাশি, রাতে বৃদ্ধি, শ্বাস প্রশ্বাসের টানে টানে বুক চাপিয়া যায়। দম আটকানো কাশি, রাতে বৃদ্ধি, শ্বাস প্রশ্বাসের টানে টানে বুক চাপিয়া যায়।

সেবন বিধি : শক্তি 3x বা 6 দুই ঘন্টা অন্তর সেবন কাশির বৃদ্ধি হইয়া রোগী আরেগ্যদিকে তখন হিপার সালফ 200 দুই মাত্রা প্রয়োগ করিলেই সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়।

হায়োসিয়ামস (Hyosyamus) : শুষ্ক কাশি, শুইলে বৃদ্ধি, উঠিয়া বসিলে নিবৃত্তি। বহুলক্ষন কাশিলেও কিছু মাত্র গয়ার উঠে না। আলজিব বাড়িয়া উক্ত প্রকারের কাশি হইলে বিশেষ উপকারী। রাত্রে শুইলে কাশি বৃদ্ধিতে ইহা ব্যবহারে করিয়া বহু রোগী আরেগ্য হইয়াছে।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 দিনে তিন বার। 200 শক্তি সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

ক্যালি ব্রোম (Kali Brom) : গর্ভাবস্থায় দমকা কাশিতে ক্যালি ব্রোম অব্যর্থ মহৌষধ। হুপিং কফের মত শুস্ক কাশি কাশি দিনে কম রাতে বেশী। গর্ভবস্থায় কাশিতে এই ঔষধ প্রয়োগ করিয়া বহু রোগিনী আরোগ্য হইয়াছে।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 প্রত্যহ দুই মাত্রা।

স্যাঙ্গুনেরিয়া ক্যান (Sanguinaria Can) : ভয়স্কর শুষ্ক কাশি। কাশি রাত্রে বৃদ্ধি কাশির জন্য ঘুমাইতে পারে না, বসিয়া থাকে। কাশির সহিত অত্যাধিক পঁচা দুর্গন্ধ বাহির হয়।

সেবন বিধি : শক্তি 3x বা 6 ৪-৬ ফোঁটা ঠান্ডা জলসহ দিনে চার বার।

ক্যালি কার্ব (Kali Carb) : আপেক্ষিত শষ্ক কাশি। বুকে সুঁচ ফুটানো ব্যথা। ব্যথার স্থান চাপিয়া শুইলে ব্যথা বাড়ে। স্থির হইয়া থাকিলে বাড়ে। নড়াচড়ায় সামান্য আরাম। কাশি শেষ রাতে বৃদ্ধি। অত্যন্ত শীত কাতর, ঠান্ডা সহ্য করিতে পারে না। ইত্যাদি লক্ষনে ইহা অব্যর্থ।

সেবন বিধি : শক্তি 6, 30 দিনে তিন মাত্রা বা 200 সকাল বিকাল দিনে দুই মাত্রা।

কষ্টিকাম (Carsticum) : গলা সুড় সুড় করিয়া কাশি। কাশিতে কাশিতে গলায় টাটানি ব্যথা। অনেকক্ষন কাশিবার পর একটু গয়ার উঠে। ঠান্ডা কাশিতে গলা ভাঙ্গিয়া যায়। কাশির দমকে মাঝে মাঝে অসাড়ে প্রস্রাব হইয়া উঠে।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 প্রত্যহ সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

কোনিয়াম (Conium) : শষ্ক কাশি দিনের বেলায় কম, রাতে কাশির বৃদ্ধি, রাতে শুইলে কাশি উড়িয়া আসিয়া জ্বড়িয়া বসে, দম আটকানো শুষ্ক কাশি। গর্ভবস্থায় এই প্রকার কাশিতে ও কোনিয়ম উত্তম কার্যকারী।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 দিনে দুই বার মাত্রা।

লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium) : দিন রাত্রি কাশি, কাশির সহিত প্রচুর পরিমানে পুঁজের মত গয়ার উঠে। সবুজ বা হলুদ কফের সহিত রক্তের ছিট দেখা যায়। শিশুদের বুকের ভিতর কফ। ঘুড় ঘুড় শব্দ, শ্বাস প্রশ্বাস কষ্ট, সর্দিতে নাসিকা বন্ধ, বিকাল ৪ টা হইতে রাত ৮ টায় রোগের বৃদ্ধি। ইহা লাইকোপিড়িয়ার বিশেষ লক্ষন।

সেবন বিধি : শক্তি 30 বা 200 সকাল বিকাল দুই মাত্রা।

জ্যাষ্টিশিয়া (Justicia) : অবিশ্রান্ত খুক খুকে কাশি, বুকে শ্লেষ্মা, গলায় ঘড় ঘড় সাঁই সাঁই শব্দ। দম আটকানো শুস্ক কাশি। কাশি রাতে বৃদ্ধি, ইহাতে জ্যাষ্টিশিয়া উপযোগী। আমি ইহার 3x ২-৪ ফোঁটা বয়স অনুপাতে সামান্য গরম জলসহ প্রত্যহ চার বার সেবন করিতে দিয়া বহু শিশু রোগী আরোগ্য হইতে দেখিয়াছি।

ওসিমাম স্যাঙ্ক (Ocimum Sanc) : সর্দি, কাশি, জ্বর, গয়াল সাঁই সাঁই ঘড় ঘড় শব্দ। শিশুদের উদরাময়ের সহিত উক্ত লক্ষনে সরল কাশিতে ইহা অন্তর।

সেবন বিধি : শক্তি 3x বা 6, ২-৬ ফোঁটা বয়স অনুপাতে তিন ঘন্টা অন্তর।

এম্ব্রাগ্রিসিয়া (Ambra Grisea) : গলা সুড় সুড় কুট কুট করিয়া দমকা কাশি, জোড়ে কথা কহিলে বা পরিলে কাশি বাড়ে। কাশির সময় বুক চাপিয়া ধরে। কুকুরের আওয়াজের মত ঢঙ ঢঙে কাশিতে ইহা উপকারী।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 দিনে তিন ঘন্টা।

ফেলান্ড্রিয়ম (Phellandrium) : ক্রমাগত কাশি, বুকের ডান দিকে সুঁচ ফোটানো বেদনা, কাশিতে পঁচা দুর্গন্ধ গয়ার উঠে। রাত্রে কাশি বৃদ্ধি। কাশির জন্য রোগী শুইতে পারে না, বসিয়া থাকে।

সেবন বিধি : শক্তি 6 বা 30 দিনে তিন ঘন্টা।

বাইওকেমিক চিকিৎসা

ফেরাম ফস (Ferrum Phos) : গলা সুড় সুড় করে, খুক খুকে কাশি, শুস্ক বিরক্তিকর কাশিতে ফেরাম উপযোগী।

সেবন বিধি : শক্তি 6x ১-৪ বড়ি এক মাত্রা বয়স অনুপাতে দিনে তিন বার।

ক্যালি মিউর (Kali Mur) : গলায় সাঁই সাঁই ঘড় ঘড় শব্দ, কষ্টকর কাশি, শ্বেত বর্ণের গয়ার উঠে, কোষ্টবদ্ধ। জিহ্বায় শ্বেত বর্ণের প্রলেপযুক্ত রোগীতে ইহা অধিক উপযোগী।

সেবন বিধি : শক্তি 3x, 6x ১-৪ বড়ি এক মাত্রা বয়স অনুপাতে দিনে তিন বার। গরম জলসহ সেব্য।

নেট্রাম সালফ (Natrum Sulph) : সরল কাশি, তরল কফ, কাশিতে বুকে ব্যথা। হাতে বুক চাপিয়া ধরিয়া কাশে। সবুজ বর্ণের অধিক পরিমানে কফ উঠে। ঠান্ডায় কাশির বৃদ্ধি।

সেবন বিধি : শক্তি 6x, 12x ২-৪ বড়ি এক মাত্রা বয়স অনুপাতে প্রত্যহ তিন মাত্রা। হোমিওপ্যাথিক মতে 30 বা 200 ব্যবহারে করিয়া উপকার পাইয়াছি। বাইওকেমিক ঔষধ গরম জলসহ সেবনে অধিক উপকার হয়।

পথ্য ও আনুষাঙ্গিক ব্যবস্থা

বুকে সর্দি বসিলে পুরাতন ঘৃত বা সরিসার তৈল গরম করিয়া বুকে মালিশ করা ভাল। খুক খুকে কাশিতে তাল মিছরি চুষিয়া খাইলে উপকার হয়। লবনের গরম জল দিয়া গড় গড় করিলে খুকে খুকে কাশির উপশম হয়। লঘু বল কারক আহার, পুরাতন কাশিতে টাটকা দুধ সুপথ্য। টক জলজ খাদ্যদ্রব্য, ঠান্ডা জলে স্নান, বৃষ্টির জলে ভেজা, রাত্রি জাগরন নিষিদ্ধ।

রোগী বিবরন : সামছুন নাহার শেলী, ২৮ বৎসর, শিবপুর। প্রায় দেড় মাস যাবৎ কাশি। সর্দি শুকাইয়া শুস্ক কাশি। অবিশ্রান্ত শুস্ক কাশি। কাশি দিন অপেক্ষা রাতে বেশী। গলায় সুড় সুড় করিয়া ঘন ঘন কাশিতে রোগীনি অস্থির। কাশির দিন জন্য ঘুমাইতে পারে না। শুইলে কাশির বৃদ্ধি। তাই রোগিনী শুইয়া থাকিতে পারে না। অনেক প্রকার কাশের সিরাপ সেবন করিয়া উপকার না পাইয়া আমার নিকট চিকিৎসার জন্য আসে। ষ্টিক্টা 6 চার ফোঁটা সামান্য জলসহ তিন ঘন্টা পর পর সেবন করিতে দেই। চারদিন পর সংবাদ কাশি অনেক কমিয়াছে। আরো চারদিন উক্ত নিয়মে ষ্টিক্টা সেবন করিয়া রোগিনী সম্পূর্ণ সুস্থ্য হয়।

অ্যাডমিন বার্তাঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

ইমেইলে পোস্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (রাত ১:৫১)
  • ২১শে জুন ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১০ই জিলকদ ১৪৪২ হিজরি
  • ৭ই আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)
জাতীয় হেল্প লাইন