আজ বৃহস্পতিবার,১৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২রা ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

Bee Images for Apis Mellifica

এপিস মেল (Apis Mellifica) – চলুন জেনে নিই বিস্তারিত

এপিস মেল (Apis Mellifica)

[মৌমাছির হুলের বিষ হতে প্রস্তুত হয়েছে; এলিয়াম ভিরাস]

 

 

যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ঃ

প্রদরস্রাব প্রচুর, গর্ভাবস্থায় এলবুমিন যায়, শোথ, ফোঁড়া, বিসর্প, পঁচা নালী ক্ষত, গ্রীষ্মকালীন ব্রণ, টিউমার, উপদংশ, মাতালের ক্ষেত্রে, উদরাময়, কার্বাঙ্কল, হাঁপানি, গলক্ষত, জিহ্বার স্ফীতি, হাম, বসন্ত, বাত, প্লরিসি, শিশুর কোষ্ঠবদ্ধতায়, চক্ষু, হৃদযন্ত্রের পীড়া, মেনিনজাইটিস, আঙ্গুল হাড়া, আমবাত, টাইফয়েড জ্বর, মূত্রবিকার, ক্যান্সার, পিপাসাহীন এবং পিপাসা, গো-বীজ টিকার মন্দ ফল, হুল ফোঁটানো ব্যথা এবং জ্বালা, গ্রন্থিগুলো বৃদ্ধি ও শক্ত, অঞ্জণী বারবার উঠে, আক্রান্ত স্থান ডানদিকে, মেনোপোজ, ঘামহীন, বিধবা স্ত্রীলোক, শিশু ও বালিকা, জিহ্বা কম্পন, বিধবাদের ক্যান্সার।

 

মানসিকতা / কোন ধাতুর লোকঃ

মানসিক লক্ষণগুলো অত্যন্ত বিষ্ময়কর ও সর্বাপেক্ষা এটিই আশ্চর্যজনক। মানসিক আঘাতজনিত ডান অঙ্গে পক্ষাঘাত। মনটি বড়ই অদ্ভুত, দুঃখ, বিষাদ, বিষন্ন, অত্যন্ত ক্রোধ, সন্দেহ পরায়ণ, নির্বোধ, হিংসা করে। মন সম্পূর্ণ নিরানন্দ।

এপিস প্রয়োগ করার পর মনের প্রফুল্লতা ফিরে আসে। ঘুমঘুম ভাব, আচ্ছাদন অসহ্য। গায়ের চামড়া লাল, কালচে, নীলাভ হতে পারে। শুষ্ক চর্ম। সাইকোসিস দোষ না থাকলে মনে হিংসা ভাব আসে না।

অবিরাম কান্নাকাটির পর অবসন্ন। এই রোগীকে কিছুতেই সন্তুষ্ট রাখা যায় না। হিংসা, দুঃসংবাদ এবং ক্রোধ জনিত অসুস্থ্যতা। রোগীর মুখ মন্ডল দেখলে মনে হয় না যে, এই রোগী অসুস্থ্য।

শরীরের এখানে সেখানে ডুমো ডুমো ফোলা ফোলা দেখা যায়। মুখমন্ডল মলিন, বেশ তৈলাক্ত ও চকচকে হয়। মানসিক আর একটি লক্ষণ হলো বিড় বিড় করে কথা বলে। স্নায়ুবিক অস্থিরতা এটা সেটা নড়াচড়া করে। অস্থির প্রকৃতির, হাত দুটি স্থির থাকে না।

হাত হতে জিনিষ প্রায়ই পড়ে যায়। একটি অদ্ভুত লক্ষন হলো – শীতে কাঁপছে কিন্তু গায়ের কাপড় লাথি মেরে ফেলে দেয়। বিশেষত্ব বিধবা স্ত্রীলোকের বেশি উপকার হয়। পেটের পীড়া অর্থাৎ উদরাময় হলে মনে হয় যেন গুহ্য দ্বারটি খোলাই থাকে। কোষ্ঠবদ্ধতা হলে খুব বেগ দিতে হয়। পুরাতন উদরাময়ে তলপেটে হাত দিলে যেন চমকে উঠে আর সেখানে খুব টাটানি ব্যথা থাকে।

ডিম্বকোষে টিউমার। গলাক্ষত, স্ফীত, হুল ফোঁটানো ব্যথা। বমি তিক্ত ও অম্ল জল। ঋতুকালে এবং ঋতুর আগে জরায়ু এবং ডিম্বকোষে বেদনা। সন্তান ধারণের ইচ্ছা থাকলেও অনেক সময় গর্ভস্রাবের সম্মুখ্যীন হতে হয়। পেটে ব্যথা হলে পেটের উপর একটি কাপড়ও সহ্য করতে পারে না।

কারণ, পেটের মধ্যে বায়ুতে ভর্তি জয় ঢাকের মতো। শক্ত খাবার গিলতে পারে না। শিশু রোগী বড়ই অস্থির প্রকৃতির হয় এবং চিৎকার করে উঠে। শিশুর গায়ে হাত দিলে শিশু রেগে যায়। শিশু দিনে স্তন পান করে কিন্তু রাতে পান করে না। শিশুর মস্তিষ্ক রোগের রক্ত সঞ্চয় এবং গুরুত্বর প্রকৃতির।

মস্তিষ্ক রোগে দেখা যায় সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। মাথায় হাত দিয়ে এদিক ওদিক চায়। সময় সময় ঘুমের মধ্যে শিশু মাথার যন্ত্রণায় অদ্ভুতভাবে চিৎকার করে ওঠে। এই চিৎকার একটি প্রবল লক্ষণ। শিশু গায়ের কাপড় ফেলে দেয়। যেকোন গরমই এপিসের শত্রু।

সকল প্রকার প্রদাহ নিরাময় করতে পারে। যেখানে রোগীর প্রস্রাব কমে গেছে বা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে অথবা প্রস্রাবের বেগ আছে কিন্তু পরিষ্কার ভাবে হচ্ছে না। ফোঁটা ফোঁটা করে এবং খুব যন্ত্রণাদায়ক ভাবে হচ্ছে সেখানে একবার এপিসের কথা মনে করতে হবে। প্রস্রাব স্বল্পতা, প্রচুর প্রস্রাব।

প্রস্রাবের নানাবিধ পীড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার এতটাই হয় যে হয়তো অন্য কোনো ওষুধ এতোটা ব্যবহার হয় না। এপিসের প্রস্রাব দুধের মতো সাদা।

দুগ্ধ পোষ্য শিশুর মূত্ররোধ, আশ্চর্যজনক। অবিরাম নিস্ফল প্রস্রাবের বেগ। খুব দুর্গন্ধ হয়। মূত্রযন্ত্রের ‍উপর ক্যান্থারিসও খুব ভালো কাজ করে। তবে ক্যান্থারিসে দুরন্ত জ্বালা, এপিসে হুল ফোঁটানো বেদনা এই বিষয়টি মনে রাখতে হবে। এপিস স্ত্রীলোকের পরম বন্ধু কারণ সবরকম প্রদাহ নিরাময় করতে পারে।

১/২/৩ মাসে কোনো হতভাগ্য বদমায়েস লোক সন্তান নষ্ট করতে গর্ভধারিনীকে নানা ওষুধ দেওয়ার পর বেদনা দেখা দিয়েছে। ঐ বেদনা জরায়ুর মধ্যকার ভ্রুণটি বের করে দেবে। উচ্চ শক্তি প্রয়োগ করলে সেই অবস্থায় ঐ গর্ভস্রাব বন্ধ করে দিবে। আবার, ডান ডিম্বকোষে যদি সিষ্টিক হয় সেটাও এপিসের দ্বারা নির্মূল করা সম্ভব।

সাইকোসিস দোষ না থাকলে মনে হিংসার ভাব আসে না। এপিসের রোগগুলোর সাথে তীব্রতা ও দ্রুততা থাকে। রোগ ডান হতে বাম দিকে বিস্তৃত হয়, এপিসের একটি বিশেষ লক্ষণ এটি। বেদনা, জ্বালাকর, হুল ফোঁটানো যেখানে প্রদাহ, যেখানে জ্বালা, সেখানে ফোলা, যেমন জ্বালা তেমনই স্পর্শকাতর।

এপিস হঠাৎ করে এক স্থান হতে অন্য স্থানে সরে যায়। এপিস চক্ষু রোগের ক্ষেত্রেও মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষতঃ চক্ষুর নিচে যখন থলির মতো হয়ে থাকে।

আর সত্য যে, শোথ দেখা দিলেই এপিস পিপাসাহীন হয়ে পড়ে এবং শোথ প্রথমে চক্ষুর নিম্নপাতায় দেখা দেয়। তবে সব রোগে পিপাসাহীন নয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে শোথ দেখা দিলেও এপিসের মধ্যেও পিপাসার বিষয়টি দেখা যায়।

 

সবিরাম জ্বরঃ

জ্বরের সময় গা খুব গরম হয় এবং প্রস্রাব কমে যায়। জ্বরের প্রথম হতে শেষ পর্যন্ত একটু শ্বাস-কষ্ট ও তন্দ্রাভাবের মধ্যে অস্থির ভাব দেখা যায়। সামান্য ঘাম। দীর্ঘ সময় পর জ্বর ত্যাগ করে। সামান্য পিপাসা।

মুখ শুষ্ক থাকে। জ্বর বেলা তিনটায় শীত করে আবার আসে। জ্বরের মধ্যে আবৃত থাকতে পারে না। জ্বর তিনটায় বৃদ্ধি পায়। উত্তাপ অবস্থাতে শ্বাসকষ্ট হয়। ঘুমাতে পারে না।

সবিরাম জ্বরে শীতেও তাপ সহ্য করতে পারে না। বুক অত্যন্ত ভারীবোধ এবং চাপবোধ মনে হয়। নিঃশ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হয়। কখনো কখনো আমবাত হয়।

এপিস, হেলিবোরাস, জিংক ও কিউপ্রাম চিত্র পরিষ্কার মনে রাখা উচিত সকলের। কারণ, এগুলো সাংঘাতিক অবস্থার ওষুধ।

 

এপিস মেলঃ

আমবাত – উদ্ভিদগুলো স্থানে স্থানে হয় ও খুব চুলকানি হয়। আবার বের হয়। রোগী অস্থির হয়ে পড়ে। চুলকানোর পরে ঐগুলো চাঁকা চাঁকা হয়ে উঠে এবং ফুলে উঠে। বিকার স্নায়ুবিক অস্থিরতা, তন্দ্রাভাব, অবসন্নতা দেখা দেয়। তন্দ্রার মধ্যে ভয়ানক জ্বরে চিৎকার করে ওঠে।

 

হেলিবোরাসঃ

নাকের মধ্যে কালো ঝুলের মতো পদার্থ জমা হওয়া একটি অদ্ভুত লক্ষণ। এ ক্ষেত্রটি মনে রাখা দরকার। দারুন পিপাসা থাকে এই জন্য শিশু মায়ের স্তনটি ছাড়তে চায় না। বিকার ভাব বেশি থাকে। বোধ শক্তি একেবারে লোপ পায়। মুখে কিছু চিবাইতে থাকে, ঘোর তন্দ্রাভাব। জাগাইলেও জাগে না অনেক সময়।

 

জিংকঃ

নিদ্রার মধ্যে সময়ে সময়ে চমকে উঠে, নিদ্রা ভাঙার পর ভয়ে বিহ্বল হয়ে যায় এবং সঙ্গে মাথা চালা বিশেষতঃ পা দুটি অবিরত নড়াচড়া করে। জিংকের স্নায়ুবিক দূর্বলতা ও উত্তেজিতভাব থাকায় কম্পন হয়।

কিন্তু কম্পন অঘোর অসাড় অবস্থার দেখা দেয়, মনে রাখতে হবে। প্রথম হতে শরীর বড়ই দূর্বলতর হয় এবং শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত অবসাদ হলে নড়বার পর্যন্ত শক্তি থাকে না।

এমনকি মল, মুত্র একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। রোগী যতই গুরুতর আকার ধারণ করে ততই আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস নিতে থাকে এবং দম বন্ধ হয়ে যায়। উদ্ভেদগুলো ভালো করে বের হতে পারে না। রোগী শীতকাতর হয়।

 

কিউপ্রামঃ

উদ্ভেদগুলো চাপা পড়ে কিউপ্রামের লক্ষণ প্রকাশ পায় কিন্তু আক্ষেপ ভাব বেশি থাকে। সর্বপ্রথমে হাতটির বৃদ্ধ আঙুল মুষ্টিবদ্ধ হয় এবং চোখ মুখ নীল বর্ণ ধারণ করে। বমি হয়। চক্ষুর তারকাগুলো ঘড়ির দোলকের মতো এধার-ওধারে ঘুরতে থাকে। হাতে পায়ে আপেক্ষ আরম্ভ হয়ে শরীরে যায়।

 

এপিসের মূল্যবান কয়েকটি লক্ষণঃ

  1. প্রথম মুত্র কষ্ট হয়, জ্বালা হয়, হুল ফোঁটানোর মতো যাতনা, টাটানি ব্যথা ইত্যাদি।
  2. পিপাসাহীন এবং বাম অঙ্গ অবশ।
  3. নিদ্রালুতা বা ঘুম ঘুম ভাব।
  4. শুধু মাত্র অল্প ফোঁটা ফোঁটা অসাড়ে প্রস্রাব কদাচিৎ বা প্রচুর উভয় লক্ষণই থাকতে পারে। প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায় অনেক সময় এবং প্রস্রাব গরম প্রকৃতির হয়।
  5. জরায়ুর ডান দিকে আক্রমণ হয়, বৃক্ব সহ মস্তিষ্কের নানা স্থানে প্রদাহ, যেখানে প্রদাহ সেখানে জ্বালা, ফোলা এভং স্পর্শকাতর হয়।
  6. চক্ষুর নিম্নপাতা ফুলে ওঠে এবং থলির মতো হয়ে যায়।
  7. শ্রেষ্ঠ পরিচয় হলো ৬ষ্ঠ মাসে গর্ভপাত দূর করে। আর নিম্নশক্তি গর্ভপাত ঘটিয়ে দেয়। আর অতি মাত্রায় প্রয়োগে গর্ভপাত রক্ষা হয়।
  8. নেট্রাম মিউর সম্পূর্ণ করে, আগে ও পরে ভালো কাজ করে।

 

সম্পূরকঃ

পালসেটিলা, মার্ক, সালফার, আর্সেনিক, ব্রায়োনিয়া, কিউপ্রাম, জিংকাম, নেট্রাম মিউর।

 

ক্রিয়ানাশকঃ

এসিড কার্ব, ইপিকাক, ল্যাককান, লিডাম, প্লান্টেগো, লবণ, তেল, মিষ্টি, পেয়াজ, ক্যান্থারিস।

 

কিসে উপশমঃ

চক্ষু পীড়ায় ঠান্ডা পানি, ঠান্ডায়, স্থান পরিবর্তনে, সোজা হয়ে বসলে, গা উন্মুক্ত রাখলে, খোলা হাওয়ায়, চাপে, গোসলে, বাত নড়াচড়ায়।

কিসে ও কখন বৃদ্ধিঃ

স্পর্শকাতর, বিকাল ৩টা হতে ৭টা পর্যন্ত, শীতকালে, বাত নড়াচড়া, নিদ্রার পর, অগ্নিতাপ, আবদ্ধ ঘরে, রাতে, ডান পাশে শয়নে, যেকোন গরমেই কিন্তু শিশুর উদরাময়, সকালে, আহারের পর, তাপে, হাঁপানি শীতকালে।

ইচ্ছাঃ

গোসলে, ঘন ঘন প্রস্রাব করতে, প্রবল দুধ খাওয়ার, প্রবল সহবাসের, প্রবল ঘুমের।

অনিচ্ছাঃ

আগুনের তাপে থাকতে, গরম খাদ্যের।

 

খাদ্য নিষেধঃ

গরম পানি, পেঁয়াজ।

মায়াজমঃ

গভীর সোরিক।

 

বিরোধীঃ

রাসটক্স, ফসফরাস, পেঁয়াজ।

কাতরতা ও ক্রিয়াকালঃ

গরমকাতর / ২৮ দিন।

শততমিক শক্তিঃ

২০০/১০০০, নেট্রাম মিউর সম্পূর্ণ করে।

 

৫০ সহস্রতমিক শক্তিঃ

এম ২, এম ৩, এম ৪, এম ৫, পুরাতন রোগের ক্ষেত্রে শক্তি উর্দ্ধে।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল হোমিওপ্যাথি সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারিরীক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগীতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিন বার্তাঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ জাহাঙ্গীর বিন সফিকুল। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

ইমেইলে পোস্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • বৃহস্পতিবার (সকাল ১১:৪৭)
  • ২রা ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৬শে রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
  • ১৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)
জাতীয় হেল্প লাইন