আজ শনিবার,১০ই আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

কোন ওষুধে কোন খাদ্য

কোন ওষুধে কোন খাদ্য নিষেধ বা ওষুধ সেবন কালীন যা করবেন না

কোন ওষুধে কোন খাদ্য নিষেধ বা ওষুধ সেবন কালীন যা করবেন না
সানরাইজ৭১ এ সবাইকে স্বাগতম। আশা করছি, সবাই ভালো আছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো কোন ওষুধে কোন খাদ্য নিষেধ বা ওষুধ সেবন কালীন যা করবেন না: সবার জানা জরুরী !তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।
কোন ওষুধে কোন খাদ্য নিষেধ বা ওষুধ সেবন কালীন যা করবেন না:
কোন ওষুধে কোন খাদ্য নিষেধ
১। যে ওষুধে যে খাবারে বৃদ্ধি সেটা খাবে না।
২। যে খাবার খেয়ে রোগের বৃদ্ধি সেটা খাবে না।
৩। যে ওষুধ যে উৎস থেকে তৈরি সেই ঔষধ চলাকালীন ঐ উৎস খাওয়া যাবে না। ওষুধ চলাকালীন সময় তা কাঁচা বা রান্না করেও খাওয়া যাবেনা।
৪। উত্তেজক খাবার খাওয়া নিষেধ।
৫। সরাসরি কাঁচা কোন সবজি খাওয়া যাবেনা।
৬। রেপার্টরী তে যে ওষুধে যে খাদ্য বৃদ্ধি তা খাওয়া যাবেনা।
৭। যে উৎসের ঔষধটি রোগী খাবে সেই মুহূর্তে ঐ উৎসের ঔষধ রান্না বা কাঁচা খাওয়া যাবেনা।
৮। যে কোন ভেষজ রান্না ছাড়া খেতে পারবে না।
৯। যা করলে ওই রোগের বৃদ্ধি কিংবা দেখা দেয় তা করা যাবে না বা নিষেধ।
১০। ঔষধের বৃদ্ধির সময় ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে না।
১১। ঔষধ চলাকালীন উগ্র গন্ধযুক্ত ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না।
১২। রোগী যে অবস্থায় যখন আপনার কাছে আসবে সেটা মাসিকের সময় হলেও ঔষধ দিয়ে দিতে হবে। আর যদি কোন ক্রনিক ডিজিজ এর ক্ষেত্রে ওষুধ আগে থেকে চলতেছে সে ক্ষেত্রে দেখতে হবে ঔষধটির মধ্যে মাসিকের সাথে কোন সম্পর্ক আছে কিনা যেমন মাসিকের স্রাব কমে যাবে বা বেড়ে যাবে সে ক্ষেত্রে ঔষধ বন্ধ থাকবে নইলে নয়।
১৩। রোগীর অন্য প্যাথির ওষুধ চলাকালীন সময় যদি আমাদের কাছে আসে তখন আমরা ঐ ঔষধ গুলি বন্ধ না করে হোমিও ঔষধ দেব এবং রোগী যখন ধীরে ধীরে ভালোর দিকে যাবে তখন প্রয়োজন না হলে অন্য প্যাথির ঔষধ গুলো ধীরে ধীরে বন্ধ করে দিব।
১৪। অন্য প্যাথির এন্টিবায়োটিক চলাকালীন সময় আমাদের ঔষধ দিলে এন্টিবায়োটিক ঔষধ কখনোও বন্ধ করবে না এন্টিবায়োটিক এর কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত।
১৫। ঔষধ চলাকালীন যে কোন প্রকার অনিয়ম ও যে কোন প্রকার নেশা বর্জন করতে হবে যেমন,পান- সিগারেট, গুল, মদ্য।
১৬। যে কোন প্রকার ও অখাদ্য বর্জন করতে হবে যেমন, মাটি, স্লেট, কয়লা, ঘুটা।
১৭। অনুকূল পরিবেশ চাই। অনুকূল পরিবেশে বসবাস। শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিকূল পরিবেশ বর্জন করা।
১৮। সঠিক নিয়মে ওষুধ সেবন না করা।
১৯। পূর্বরোগ কিংবা মায়াজমেটিক প্রতিবন্ধকতা।
২০। পূর্বরোগ ও বংশগত জটিল রোগের প্রতিবন্ধকতা।
২১। ঔষধের বৃদ্ধির সময়।
লেখক- ডা. ফারুকী
এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং প্রয়োজনীয় মনে হয় তবে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

 মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। (অনার্স – অ্যাকাউন্টিং, দিনাজপুর সরকারি কলেজ এবং সিইও – দিনাজপুর স্কুল নামক ইউটিউব চ্যানেল)।

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারিরীক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগীতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিন বার্তাঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ জাহাঙ্গীর বিন সফিকুল। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

ইমেইলে পোস্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার (রাত ৯:২৯)
  • ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৭ই সফর ১৪৪৩ হিজরি
  • ১০ই আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)
জাতীয় হেল্প লাইন