আজ মঙ্গলবার,৯ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,২৪শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

www.sunrise71.com

করোনা ভাইরাস কি, লক্ষন, চিকিৎসা এবং বাঁচার উপায় – আপডেট ইনফরমেশন

করোনা ভাইরাস / কোভিড-১৯


 

করোনা ভাইরাস আসলে কি?

করোনাভাইরাস হলো এক প্রকার বৃহৎ পরিবারকেন্দ্রিক ভাইরাস যা প্রাণী বা মানুষের মধ্যে অসুস্থতা তৈরী করতে পারে। মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে। কিছু করোনা ভাইরাস মানুষের মধ্যে সাধারন সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে শ্বসনতন্ত্রের মারাত্মক সংক্রমণ পর্যন্ত ঘটাতে পারে। এগুলোকে বলা হয় সাধারনত ‘এমআরএস’ এবং ‘এসএআরএস’।



কোভিড-১৯ কি?

কোভিড-১৯ হচ্ছে এক প্রকার সংক্রামক রোগ যা খুবই সাম্প্রতিককালের খোঁজ পাওয়া করোনা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হচ্ছে। চীনের উহান শহরে ২০১৯ইং সালের ডিসেম্বর মাসে এই ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত মানুষ এই নতুন ভাইরাস সম্বন্ধে কিছুই জানত না। শুরু হওয়া একটি মাত্র দেশের বিপরীতে এখন পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই হানা দিয়েছে এই ভাইরাস। কোভিড-১৯ মানেই এখন জনমনে এক আতঙ্কের নাম।

 

করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণঃ

এই রোগ হলে সর্বপ্রথম যে উপসর্গগুলো দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জ্বর, শুকনো কাশি, ক্লান্তি লাগা। অন্যান্য সাধারন লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা, ডায়রিয়া, নাকের ঘ্রাণ শক্তি কমে যাওয়া, ত্বকে ফুসকুড়ি, আঙুলের বা পায়ের আঙুলের বর্ণ হীনতা।

এগুলো ধীর গতিতে প্রকাশ পায়। আবার কোনো কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে। কারও কারও সবগুলো লক্ষণ থাকতে পারে আবার কারও কম সংখ্যক লক্ষণও থাকতে পারে। বিশেষ করে যারা কারও দ্বারা সংক্রমিত হয় এই রোগে তাদের মধ্যে লক্ষণের কমতি দেখা যায়।




আশার কথা হচ্ছে, প্রায় ৮০% মানুষ হাসপাতালের চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়াই এই রোগ থেকে ভালো হয়ে যায়। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জন গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে, শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে খুবই অসুবিধে হয়। কৃত্রিম অক্সিজেন এর ব্যবস্থা করার প্রয়োজন পড়ে।

যারা বয়স্ক, যাদের পূর্ব থেকেই হার্ট এর সমস্যা থাকে, উচ্চ রক্তচাপ থাকে, ফুসফুসের সমস্যা থাকে, ডায়াবেটিস বা ক্যান্সারের মতো রোগে আক্রান্ত তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি একটু বেশি থাকে। তবে যে কোন বয়সের যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। নিজের শরীরের প্রত্যেকটি লক্ষণের ব্যাপারে সবার সচেতন থাকা উচিত এবং উপরোক্ত লক্ষণগুলোর কোন একটি লক্ষণ তীব্র ভাবে দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।

 

আমার যদি করোনা ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয় তবে কি করবো?

আপনার যদি সামান্য লক্ষণ থাকে যেমন, সামান্য জ্বর, সর্দি তবে হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। বাড়িতেই থাকুন, সবার থেকে আলাদা থাকুন এবং নিজেকে নিরীক্ষা করুন। সেল্ফ আইসোলেশন এর নিয়ম-নীতি মেনে চলুন। তবে আপনি যদি ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদূর্ভাব আছে এমন এলাকায় বাস করেন তবে আপনার লক্ষণগুলো উপেক্ষা করবেন না।

বিশেষ করে জ্বরের লক্ষণগুলো একেবারেই অবহেলা করবেন না। এক্ষেত্রে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা নিন। যখন আপনি স্বাস্থ্য-সেবা নিতে যাবেন তখন অবশ্যই মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন, প্রত্যেক ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্বে থাকুন যাতে মানুষ আপনাকে স্পর্শ করতে না পারে এবং আপনিও কাউকে স্পর্শ করতে না পারেন।




যদি আক্রান্ত (ব্যক্তি) শিশু হয় তবে শিশুর ক্ষেত্রেও এই নিয়মগুলো যথাসম্ভব মানার চেষ্টা করুন। যদি আপনার শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুকে ব্যথা হয়, বুকে চাপ বোধ হয় তবে অতি সত্ত্বর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা নিন। যদি সম্ভব হয় তবে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী’কে আগে থেকেই জানান যাতে করে আপনি সবচেয়ে ভালো সেবাটি পান এবং কিছুটা হলেও নিরাপদ থাকেন।

 

করোনা ভাইরাস যেভাবে ছড়ায়?

আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে ‍গেলে আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি থেকেও এই রোগ হতে পারে। কথা বলার মাধ্যমে মুখ থেকে যে নিঃশ্বাস বের হয় তার মাধ্যমেও রোগ ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির থুথু থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে। হাঁচি এবং কাশির সময় মুখ থেকে নির্গত হওয়া পদার্থ খুব দুরে সরে যায় না বরং আক্রান্ত ব্যক্তির খুব কাছাকাছি এগুলো পড়ে থাকে।

এগুলোতে কেউ থুথু ফেললে বা নিঃশ্বাস নিলে ঐ ব্যক্তিও করোনা’য় আক্রান্ত হতে পারেন। আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে হাত মেলালে এবং কোনভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে এবং পরে ঐ হাত দ্বারা নিজের শরীরের কিছু অঙ্গ যেমন চোখ, মুখ ইত্যাদিতে স্পর্শ করার ফলেও রোগটা হতে পারে। এজন্য সাবান পানি দিয়ে নিয়মিত হাত ধৌত করুন এবং প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার (অ্যালকোহল ভিত্তিক) সাথে রাখুন ও প্রয়োজনমত ব্যবহার করুন।

 

লক্ষণহীন ব্যক্তির কাছে থেকে কি কোভিড-১৯ ছড়াতে পারে?

এই রোগ ছড়ায় মূলত হাঁচি কাশির মাধ্যমে যদি সেই হাঁচি কাশি আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে কেউ দেয়। তাছাড়া, জ্বর ও ক্লান্তিবোধ আছে এমন মানুষের সংস্পর্শেও রোগটা ছড়াতে পারে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত বেশীর ভাগ মানুষই হালকা লক্ষণ অনুভব করেন প্রাথমিক পর্যায়ে। কোনো ব্যক্তির তরুন কাশি (ব্যক্তি অনুভব করছেন না) হয়েছে এবং অন্যান্য লক্ষণ তেমন নেই এমন ব্যক্তিও কোভিড-১৯ ছড়াতে পারে। কিছু প্রতিবেদন থেকে প্রকাশিত হয়েছে যে, লক্ষণ নেই এমন ব্যক্তিও কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত থাকতে পারেন। এটার পরিসংখ্যান এখনই দেয়া যাচ্ছে না। বিশ্বের বড় বড় সংস্থ্যাগুলো বিশেষ করে বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থ্যা বিষয়টিকে নজড়ে রাখছে এবং সময় মতো এটার আপডেট তারা জানিয়ে দেবে।



কিভাবে আমরা নিজেকে এবং অপরকে রক্ষা করতে পারি যদি না আমরা না জানি কে আক্রান্ত?

নিয়ম করে হাত ধৌত করা, শ্বাস-প্রশ্বাসের অভ্যাসের অনুশীলন করা – এই দুটি বিষয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকার দাবিদার নিজেকে এবং অপরকে এই রোগ থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে। সম্ভব হলে নিজেকে অপর ব্যক্তি থেকে কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্বে রাখুন।

দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ন যদি আপনি হাঁচি বা কাশি দেয় এমন ব্যক্তির নিকটে থাকেন। যেহেতু কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত অনেক ব্যক্তিরই লক্ষণ নেই বা সামান্য লক্ষণ থাকতে পারে তাই সবসময় নিজেকে অপর যেকোন ব্যক্তি থেকে নির্ধারিত দূরত্বে রাখা খুবই বুদ্ধিমানের এবং সচেতনতার কাজ।

 

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এমন ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ হয়ে গেলে কি করবো?

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এমন ব্যক্তির সংস্পর্শে আপনি এলে আপনার আক্রান্ত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের অর্থ হলো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে আপনি ন্যূনতম ১ মিটার দূরত্বও বজায় রাখেননি। তাই এসব ক্ষেত্রে, বাড়িতে থাকাই ভালো।

যদি আপনি স্পষ্টভাবে জেনেই যান যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আপনি চলে এসেছেন তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব অন্যদের থেকে নিজেকে আলাদা করুন। ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে চলে যান। নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল করুন। বিশেষ করে, শরীরের বাহ্যিক পরিবর্তনগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখুন।




কোনো লক্ষণ প্রকাশ না পেলেও প্রয়োজনে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করান। পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে পরিবার কিংবা বাইরের কোনো ব্যক্তির সাথে মিশবেন না। মানুষ এখনও এই ভাইরাস এর দ্বারা সংঘটিত রোগটি সম্বন্ধে পুরোপুরি অবগত নয়। তাই সবসময় জাতীয় পরামর্শ সেবা গ্রহণ করুন।

 

সেল্ফ আইসোলেশন বা স্ব-বিচ্ছিন্নতা আসলে কি?

যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিংবা বাইরের দেশ থেকে আসেন তাদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। এই সময় তারা পরিবার কিংবা বাইরের কারও সাথে মিশতে পারেন না। এই ১৪ দিনে সাধারনত বোঝা যায়, উক্ত ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস আক্রমণ করেছে কিনা কিংবা কোনো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কিনা?

অপরদিকে, ব্যক্তির মধ্যে লক্ষণসমুহ ডেভেলপ করছে এমন একটা পরিস্থিতিতে তাদের সাথে সময় কাটানো হলো সেল্ফ আইসোলেশন। এটা একটা মহতী উদ্বোগ। এতে করে, পরিবার এবং সমাজের অন্যান্য মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। হোম কোয়ারেন্টাইন এ থাকার সময় যদি আপনার গুরুতর কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় তবে নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রেখে তা আপনার পরিবারের সদস্যদের জানান এবং দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিন নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে।

তাছাড়াও, সেল্ফ আইসোলেশনে থাকার সময় ফোন বা অনলাইনে পরিবার তথা প্রিয়জনের সাথে এবং সমাজের অন্যান্য মানুষের সাথে যোগাযোগ করুন। নিজেকে শক্ত রাখুন। মনকে শক্ত করুন। ভেঙে পড়বেন না। সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা করুন। ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা করে মনকে শক্ত ও জোরদার করুন।



কোনো লক্ষণ নেই কিন্তু মনে হচ্ছে আমি আক্রান্ত? এক্ষেত্রে কি করবো?

আপনি যদি নিশ্চিত হয়ে থাকেন যে, করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আপনি এসেছিলেন এবং আপনিও আক্রান্ত (যদিও লক্ষণ নেই) সেক্ষেত্রে পরিবার এবং অন্যান্য মানুষজন থেকে নিজেকে আলাদা করে ফেলুন। আপনি ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে চলে যান।

নিজের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুন। ভার্চুয়ালী পরিবার তথা আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ রাখুন। খারাপ কোনো লক্ষণ দেখা ‍গেলে দ্রুত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন যাওয়ার পূর্বেই নিজের শরীরের ভাইরাস পরীক্ষা করান।

 

করোনা ভাইরাসের কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে কি?

এ কথা একদম সত্য যে, এখন পর্যন্ত এই রোগের কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি যা কিনা রোগ থেকে নির্ধারিতভাবে রক্ষা করতে পারে। লক্ষণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সচরাচর ব্যবহৃত ওষুধগুলো দিয়েই চিকিৎসা করা হচ্ছে। কিছু কিছু দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতে হোমিওপ্যাথির ব্যবহার প্রশংসার দাবিদার।

জানা যাচ্ছে, হোমিওপ্যাথির বিশেষ কিছু ওষুধ শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করছে ফলে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা কমে যাচ্ছে। তবে এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হোমিওপ্যাথির উপর যথাযথ অনুমোদন দেয়নি। হয়ত অচিরেই দিতে পারে। অপরদিকে, বিশ্বের কিছু দেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।




স্বেচ্ছাসেবী রোগীদের উপর এসব ভ্যাকসিনের ট্রায়াল তারা চালিয়ে যাচ্ছে। যদি কোনো ভ্যাকসিন সর্বাধিক কার্যকর হয় এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী হিসেবে প্রমাণিত হয় তবে তা যথাসময়ে বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক প্রচারিত হবে। মানুষের জন্য ঐ ভ্যাকসিন গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না। সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

 

আপাতত, করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখার উপায়গুলো হলোঃ

নিজেকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন বিশেষ করে সাবান-পানি দিয়ে দিনে কয়েকবার হাত ধৌত করুন। আপনার হাত দিয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ করা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন। হাঁচি, কাশি দেয়ার সময় আপনার মুখ কনুই দিয়ে ঢাকুন বা টিস্যু ব্যবহার করুন।

ব্যবহৃত টিস্যু যেখানে সেখানে না ফেলে নির্ধারিত জায়গায় ফেলুন এবং আপনার হাত পূণরায় ধুয়ে ফেলুন। আর অন্যদের থেকে সব সময় কমপক্ষে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন।


আজ আর নয়। ফিরে আসবো অন্য দিন নতুন কোনো স্বাস্থ্য টিপস নিয়ে। সবাই সুস্থ্য, সুন্দর ও ভালো থাকুন। নিজের প্রতি যত্নবান হউন এবং সাবধানে থাকুন।

এই পোস্টটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং প্রয়োজনীয় মনে হয় তবে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

 

[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যগুলো কেবল স্বাস্থ্য সেবা সম্বন্ধে জ্ঞান আহরণের জন্য। অনুগ্রহ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন করুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে আপনার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হতে পারে। প্রয়োজনে, আমাদের সহযোগিতা নিন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।]

অ্যাডমিনঃ

আপনাদের সাথে রয়েছি আমি মোঃ আজগর আলী। ছোট বেলা থেকেই কম্পিউটারের প্রতি খুব আগ্রহ ছিল। মানুষের সেবা করারও খুব ইচ্ছে। আর তাই গড়ে তুলেছি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট সানরাইজ৭১। আশা করছি, আপনারা নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন এবং ই-স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     আরও পড়ুন:

সাম্প্রতিক পোস্টসমুহ

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (রাত ২:৪৫)
  • ২৪শে নভেম্বর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৮ই রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরি
  • ৯ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)